ট্রাভেল ট্যাক্স কি, কত, কোথায় দিবেন, অনলাইনে দেয়ার উপায় কি ?

বর্তমান সময়ে ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুজে পাওয়াটা বেশ মুশকিল। আর বাইরে ভ্রমণ করার সাথে ট্রাভেল ট্যাক্স বিষয়টি জড়িত। নিজের বাইক নিয়ে অথবা বাইক ছাড়া অনেক বাইকার ভাই বর্তমানে দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার বাইরে গিয়ে বাইক ভাড়া করে নিয়ে নিজেদের ভ্রমণের স্বপ্নগুলো পূরণ করছনে। আমাদের দেশে কিন্তু অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে ভ্রমণ করার মতো। ভ্রমণ কাহিনী জানতে আগ্রহী হলে এই লিংকে প্রবেশ করুন।

দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে ট্রাভেল ট্যাক্স। এটা আসলে কি , কত টাকা দিতে হয় আর কিভাবে দিবেন ? এই নিয়ে আজ আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবো।বিদেশ ভ্রমণের সময় ট্রাভেল ট্যাক্স ( Travel Tax ) পরিশোধ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি স্থলপথে, আকাশপথে, ট্রেন বা নৌপথে যেভাবেই দেশের বাইরে যতবারই ভ্রমণ করেন না কেনো আপনাকে প্রতিবারই ট্রাভেল ট্যাক্স দিতে হবে। বর্তমান সময়ে আকাশ পথে ও ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে টিকেটের সাথেই ভ্রমণ কর যুক্ত থাকে। শুধুমাত্র স্থলপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপনাকে আলাদা করে Travel Tax দিতে হবে। ট্রাভেল ট্যাক্স দেওয়া ছাড়া আপনি দেশের বাইরে কোথাও ভ্রমণ করতে পারবেন না।

ট্রাভেল ট্যাক্স কত ?
বর্তমানে যেকোন স্থল বন্দর দিয়ে প্রতিবার দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের ( ১২ বছর+) ভ্রমণ কর ৫০০ টাকা দিতে হয় এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ( ৫ – ১২ বছর ) Travel Tax ২৫০ টাকা দিতে হয়।

স্থলপথ দিয়ে কোন কোন দেশে যাওয়া যায় ?
আমাদের দেশ থেকে থেকে স্থলপথে ভারত , নেপাল , ভুটান ও মায়ানমার যাওয়া যায়। শুধুমাত্র এই দেশগুলোতে না আপনি যেখানেই ভ্রমণ করেন না কেনো আপনাকে ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়েই ভ্রমণ করতে হবে।

ট্রাভেল ট্যাক্স দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে ?
ভ্রমণ কর ( Travel Tax ) নিজের বা অন্য কারো জন্য দিতে গেলে নিজের এবং অন্যের মূল পাসপোর্ট বা ফটোকপি/স্ক্যানকপি নিয়ে যেতে হয়। ন্তাই আপনি নিজে না গিয়ে অন্যকে দিয়ে ট্যাক্স জমা দিতে পারবেন।

ট্রাভেল ট্যাক্স কোথায় দিতে হয় ?
এতদিন কেবলমাত্র জেলা ভেদে ১/২টি সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা ও বেশিরভাগ স্থল বন্দরে ট্রাভেল ট্যাক্স বা ভ্রমণ কর দেওয়ার সুযোগ থাকলেও বর্তমানে অনলাইনে ভ্রমণ কর দেয়ার সুবিধা চালু করা হয়েছে। যের জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে। ফলে সোনালী ব্যাংকে সরাসরি উপস্থিত হয়ে কর দেয়ার পাশাপাশি এখন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যেকোন স্থান থেকে অনলাইনে ট্রাভেল ট্যাক্স দেয়া যাবে।

ট্রাভেল ট্যাক্স অনলাইন এ দেয়ার নিয়মঃ
NBR এবং Sonali Bank এর যৌথ উদ্যোগে ট্রাভেল ট্যাক্স অনলাইনে দেয়ার সিস্টেম চালু হয়েছে। বর্তমানে বেনাপোল , দর্শনা এবং ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে ভ্রমণকারীগণ অনলাইনে ট্রাভেল ট্যাক্স প্রদানের এই সেবা পাবেন। পরবর্তীতে সবগুলো স্থল বন্দরের জন্যে ট্রাভেল ট্যাক্স অনলাইনে দেবার সুবিধা চালু হবে।

অনলাইনে ভ্রমণ কর দেবার জন্যে প্রথমে এই লিংকে (https://sbl.com.bd:7070/nbrTravelTax/Collection/Create) যান। পাসপোর্টের সাথে মিল রেখে ইংরেজীতে আপনার নাম , পাসপোর্টের নাম্বার , যাত্রীর ধরণ , পরিবহনের ধরণ , আপনার গন্তব্য , মোবাইল নাম্বার সঠিকভাবে পূরণ করুন। পরবর্তী ধাপে আপনার পূরণকৃত তথ্যগুলো দেখাবে। কোন ভুল থাকলে এডিট অপশন থেকে অবশ্যই ঠিক করে নিবেন। সব ঠিক থাকলে পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করুন।

বর্তমানে অনলাইনে ট্রাভেল ট্যাক্সের অর্থ সোনালী ব্যাংক অনলাইন সিস্টেম থেকে অথবা কার্ড দিয়ে করতে চাইলে মাস্টার কার্ড , কিউ ক্যাশ , ভিসা কার্ড এবং বিকাশের মাধ্যোমে পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে ভ্রমণ করের ৫০০ টাকার সাথে ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ প্রদান করতে হবে। তবে নিজে গেলে এই ১০ টাকা আর লাগবে না।

আপনার পেমেন্ট করা হয়ে গেলে একটা ট্রাভেল ট্যাক্স পরিশোধের রশিদ পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে পারবেন। সেই রশিদ প্রিন্ট করে ভ্রমণের সময় আপনার সাথে রাখতে হবে।

সরাসরি ট্রাভেল ট্যাক্স কিভাবে জমা দিব ?
স্থল বন্দরে ৩৬৫ দিন সকাল ৮:০০ থেকে সন্ধ্যা ৬:০০ পর্যন্ত ট্রাভেল ট্যাক্স জমা দেয়ার সুযোগ থাকে। তবে সময় বাঁচাতে এবং বিভিন্ন জটিলতা এডিয়ে চলতে সোনালি ব্যাংকের নির্ধারিত কোন শাখায় আগেই ভ্রমণ কর জমা দিয়ে দেয়া ভাল। এছাড়া সীমান্তে গিয়ে ভ্রমণ কর দিতে এক্সট্রা ফি গুনতে হয়। আবার ডাউকিতে ভ্রমণ কর পরিশোধের কোন ব্যবস্থা ছিলো না। কোন কোন ক্ষেত্রে ২০০-৩০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে ভ্রমণ ট্যাক্স পরিশোধের রশিদ পাওয়া যায়। এছাড়া আগে থেকেই ট্রাভেল ট্যাক্স পরিশোধ করে রশিদ সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এবং এতে কোন ঝামেলা নেই কারণ এর কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই।

এছাড়া সোনালি ব্যাংকের কিছু শাখায় চালানের মাধ্যমে ট্রাভেল ট্যাক্স জমা দেওয়া যায়। তবে জেনে নিতে হবে আপনি যে শাখায় যেতে চাচ্ছেন এরা চালানের মাধ্যমে ভ্রমণ কর নেয় কিনা। চালানের মাধ্যমে ভ্রমণ কর জমা দিতে জোন অনুযায়ী ভ্রমণ কর কোড প্রয়োজন হয়। সোনালী ব্যাংকের জোন অনুযায়ী একেক শাখার কোড একেক রকম। আর চালানের মাধ্যমে কর দেওয়ার ক্ষেত্রে চালানে পাসপোর্ট নাম্বার , নাম, ঠিকানা ইত্যাদি বড় হাতের ইংরেজি অক্ষরে লিখতে হয়।

বিদেশ ভ্রমণে সময় কি কি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ ?
বাইরের দেশে অনেক রকম আইন আছে যেগুলো আমাদের সাথে মিলে না, তাই আপনি যদি এগুলো যদি আপনি না জানেন আপনি তাহলে বড় ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হবেন। মজার কিছু আইন আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো।

১- থাইল্যাণ্ডে গিয়ে টাকার ওপর পাড়া দেবেন না
থাইল্যাণ্ডে রাজতন্ত্রকে অপমান করার বিরুদ্ধে যে আইন রয়েছে তা খুবই পুরোন এবং বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে কঠোর আইন। এই আইন অনুযায়ী থাই রাজপরিবারের কারো ছবিকে অপমান করা গুরুতর অপরাধ।

যেহেতু ব্যাঙ্কনোটের ওপর রাজার ছবি রয়েছে , তাই থাই নোট পা দিয়ে মাড়ালে বা কারো পায়ের তলায় পড়লে আপনাকে সোজা হাজতে পাঠানো হবে।

২- চুয়িং গাম নিষিদ্ধ
থাইল্যাণ্ডে মেঝেতে চুয়িং গাম ছুঁড়ে ফেলা অপরাধ। এ অপরাধের সাজা ৪০০ পাউণ্ড সমমূল্যের জরিমানা এবং অনাদায়ে সম্ভবত কারাবাস। চুয়িং গাম নিয়ে সিঙ্গাপুরেও রয়েছে কড়া আইন। সেখানে ব্যতিক্রম শুধু মাড়ির চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত গাম অথবা ধূমপান বন্ধ করার জন্য চিবানোর গাম। এই দুই ধরনের গাম ছাড়া সিঙ্গাপুরে কোনধরনের চুয়িং গাম কেনাবেচা নিষিদ্ধ।

৩- ওষুধ নিয়ে সতর্কতাঃ
উত্তেজক ওষুধের বিরুদ্ধে জাপানে আইন অত্যন্ত কঠোর। ফলে ঠাণ্ডা লাগার কারণে যেসব ওষুধ নাক বা মুখ দিয়ে টেনে ভেতরে নিতে হয় অর্থাৎ ”ইনহেল” করতে হয়, সেধরনের ওষুধ নিয়ে জাপানে খুব সতর্ক থাকা দরকার। জাপানে ঢোকার সময় এধরনের ওষুধ সঙ্গে থাকলে সাবধান। এর ব্যবহার নিয়ে কোনরকম সন্দেহ হলে আপনাকে আটকানো হতে পারে এবং ওষুধ জব্দ করা হতে পারে।

পরিশেষে একটা কথাই বলতে চাই , আপনি যেই দেশেই ভ্রমণ করেন না কেনো সেখানে গিয়ে এমন কিছু করবেন না যার কারনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।

তথ্যসূত্রঃ ভ্রমণ গাইড

প্রতিবেদনঃ বিবিসি নিউজ বাংলা

সচেতনতার ফেরিওয়ালা সঙ্গে Jasim Uddin Amir ভাই

বাংলাদেশের সচেতনতার ফেরিওয়ালা সাইদ রিমন ভাই এর সাথে সব সময় আছেন জসিম উদ্দিন আমির

সারাজীবন কাজ করে যেতে চান তিনি সচেতনতা নিয়ে সবার কাছে দোয়া দরখাস্ত করছেন জসিম উদ্দিন আমির ভাই

Jasim Uddin Amir জাগ্রত ফোরামের প্রচার সম্পাদক পদে নিয়োজিত হইলেন

জাগ্রত ফোরাম একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন যারা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অসহায় মানুষের পাশে থাকেন।এবং বিভিন্ন এতিমখানায় পোষাক এবং খাদ্য বিতরণ করে আসতেছে। Jasim Uddin Amir প্রথম থেকেই তাদের সঙ্গে ছিলেন এবং আছে। তিনি সকলের সহযোগিতা এবং দোয়া কামনা করছেন।

Jasim Uddin Amir প্রচার সম্পাদক পদে নিয়োজিত হলে কাঁঠালিয়া ফাউন্ডেশনে

কাঁঠালিয়া উপজেলার ভিত্তিক সংগঠন “কাঁঠালিয়া ফাউন্ডেশন” যারা গরীব -অসহায় মানুষের পাশে থাকেন সব সময় সেই মহৎ কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং সবার কাছে দোয়া দরখাস্ত করছেন।

যেন সকল গরীব -অসহায় মানুষের পাশে থাকতে পারেন সব সময়

Jasim Uddin Amir নতুন রেকর্ড করার অপেক্ষায়

নতুন রেকর্ড করার অপেক্ষায়

চাকরী, ট্রাভেলিং, ক্লাইম্বিং পরিবার নিজেকে সময় দেওয়া সবই করছেন তিনি

একটা মানুষ এত কিছু সামাল দেওয়া সত্যি চ্যালেঞ্জিং বিষয়

তাকে জিগ্যেস করলে তিনি বলেন এটা কোন বিষয় নয় তার কাছে আল্লাহর অশেষ রহমতে সবই সামাল দিতে পারছেন।

Jasim Uddin Amir ভ্রমণ পিপাসু লোক যেতে চায় অনেক দূর এগিয়ে

Jasim Uddin Amir

ট্রাভেল করতে চায় সারাজীবন তার জীবন সঙ্গী কে নিয়ে।

সবার কাছে দোয়া কামনা তার

৫ম বছরে পা রাখলো চিটাগং টুরিস্ট গ্যাং 🎉🎉

দেখতে দেখতে ৫ম বছরে পা রাখল চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত ট্রাভেল গ্রুপ “Chittagong Tourist Gang”. বর্তমানে ১২০ হাজারেরও বেশী ফেসবুক মেম্বার “চিটাগং ট্যুরিস্ট গ্যাং” এই ভ্রমণ গ্রুপের।

এ উপলক্ষে ১৮-১৯ নভেম্বর দুই দিন ব্যাপি প্রায় ২০০+ এর ও বেশি মেম্বার নিয়ে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত প্রশান্তি তাবু নিবাস এ বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই প্রশান্তি পার্ক এন্ড রেষ্টুরেন্ট এর সত্ত্বাধিকারি এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব নাসির উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশান্তি পার্ক এন্ড রেষ্টুরেন্ট এর সত্ত্বাধিকারি ও কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জনাব এম নূর উদ্দিন সুমন এবং প্রশান্তি পার্ক এন্ড রেষ্টুরেন্ট এর সত্ত্বাধিকারি ও ইউনিয়ন যুবলিগ জনাব শাখাওয়াত হোসেন মিন্টু
সেই সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রাভেল গ্রুপের দুই প্রধান এডমিন সাকিব নাবিল ও ওয়াফিউল হক সহ গ্রুপের এডমিন প্যানেল এর ১০ সদস্য সহ গ্রুপের ২০০ বেশী সদস্যরা।

বর্ষপূর্তিতে বিভিন্ন আয়োজনে মেতে উঠে গ্রুপের সদস্যরা। ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা এ ট্রাভেল গ্রুপটি প্রতিনিয়ত দেশের বাহিরে এবং দেশের অভ্যন্তরে সকল প্রকার ট্যুরের আয়োজন করে থাকে। স্কুল, কলেজ, ব্যাংক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সহ এই পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে ৫ শতাধিক ট্যুর আয়োজন করে এসেছে চিটাগাং ট্যুরিস্ট গ্যাং।

প্রধান এডমিন সাকিব নাবিল এখন ওয়াফিউল হক বলেন, বিগত চার বছর ধরে ট্যুর আয়োজন এর পাশাপাশি প্রতি রমজানের সময় বিভিন্ন এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করে আসছি।বৃক্ষ রোপণ, শীত কালীন পাহাড়ের গহীনে শীত বস্ত্র প্রদান এমনকি আমরা বিভিন্ন অসুস্থ রোগীদের পাশে থাকারও চেষ্টা করেছি। এছাড়াও এই করোনাকালীন সময়েও ত্রাণ সহায়তা নিয়েও অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম।

তিনি আরো বলেন, এই ট্যুরিস্ট গ্যাং একটা পরিবারের মতো এই খানে সবাই আপন। ট্যুরিস্ট গ্যাং পরিবারের সদস্যরা একে অপরের বিপদে আপদেও সম্পৃক্ত থাকে।

চট্টগ্রাম সহ পুরো বাংলাদেশ প্রোমট করা ও ভ্রমণে উৎসাহিত করা চট্টগ্রাম টুরিস্ট গ্যাং এর প্রধান উদ্দেশ্য।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ রাস্তা

World Largest Road Rout

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ রাস্তা এটি!
বিজ্ঞানী, অনুসন্ধানকারী আর ভ্রমণপ্রিয়রা ব্যতিক্রম কিছু খুঁজে বেড়ান সব সময়। পৃথিবীর কতোটুকুই বা আবিষ্কার করতে পেরেছে মানুষ? নতুন রোমাঞ্চের খোঁজে মানুষ ছুটে চলে নিরন্তর। কারণ প্রকৃতির আরও অনেক কিছুই এখনও উন্মোচিত হওয়া বাকি। তেমনই একটি বিষয় সামনে এসেছে।
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ রাস্তা এটি!
বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হেঁটে যাওয়ার পথ। ইউরোপ, আফ্রিকা আর এশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকৃতি আর মানুষের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি রাস্তা। এই রাস্তা ধরে আপনি দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন থেকে রাশিয়ার মাগাদানে আসতে পারবেন। পুরোটাই হেঁটে আসতে পারবেন। বিমান, ট্রেন, বাস কিংবা লঞ্চ, কোনো যানবাহনেই আপনাকে উঠতে হবে না। এই রাস্তা ২২ হাজার ৩৮৭ কিলোমিটার লম্বা। প্রতিদিন যদি ৮ ঘণ্টা করে হাঁটেন তবে ৫৮৭ দিন লাগবে আপনার দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে রাশিয়া পৌঁছাতে। ১৯৪ দিন হাঁটা লাগবে যদি কোনো বিরতি ছাড়া হেঁটে চলেন।


অবাক হচ্ছেন? এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হেঁটে যাওয়ার রাস্তা, যেখানে কোনো বাঁধা ছাড়াই পায়ে হেঁটে রাশিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে রাশিয়া যাওয়া সম্ভব। যাত্রাপথে পড়বে অন্তত ১৭টি দেশ। ছয়টি টাইম জোন। যে এই রাস্তা ধরে হাঁটবেন, সে কয়েকটি ঋতু পরিবর্তনও দেখতে পাবেন। যাত্রাপথে পাবেন অনেক আবহাওয়া। এই যাত্রাপথকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হেঁটে চলার রাস্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মাউন্ট এভারেস্টে ১৩ বার উঠানামা করলে এই রাস্তার হেঁটে চলা পথের সমান হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন থেকে হেঁটে হেঁটে যেতে হবে রাশিয়ার মাগাদানে।
মাঝে পড়বে বোস্তাওয়ানা, জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান, সুদান, জর্জিয়া, মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, তুরস্ক, রোমানিয়া আর বেলারুস। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রাম লা আগুলাস থেকে শুরু হবে হাঁটা। হাঁটতে হবে কয়েকটি বিপজ্জনক স্থান দিয়েও। এরপর যেতে হবে জিম্বাবুয়ে, যেই দেশ বন্যপ্রাণির জন্য বিখ্যাত। এ যাত্রা চমকপ্রদ আর চ্যালেঞ্জিং।

এরপর পড়বে মোজাম্বিক আর জাম্বিয়া। হেঁটে যাবেন উগান্ডার ন্যাশনাল পার্কের সামনে দিয়ে। দক্ষিণ সুদানে প্রবেশের পর ভয়ই লাগবে। কারণ এ দেশটি  চুরি ডাকাতির জন্য বিখ্যাত। এরপর সুদানে এসে পাড়ি দিতে হবে সাহারা মরুভূমির কিছু অংশ। সুদান থেকে মিশরে যাওয়ার ভারো রাস্তা নেই। মিল থেকে জর্ডানে ঢুকতে হবে। এরপর ইসরায়েল, এরপর যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া। সিরিয়া থেকে হেঁটে যেতে হবে তুরস্কে। এরপর জর্জিয়া, অবশেষে রাশিয়া। রাশিয়ায় এসে দেখতে হবে সাইবেরিয়ার বৈরি শীত। এই পথ ধরে হেঁটে পৌছে যাবেন রাশিয়ার শহর মাগাদানে। এখন পর্যন্ত অনেকেই অনেক লম্বা রাস্তা ধরে হেঁটে যাওয়ার রেকর্ড করেছেন কিন্তু এই রাস্তা ধরে হেঁটে যাওয়ার রেকর্ড এখনো কেউ করেননি। কারণ অনেক দেশের সরকার ব্যবস্থা স্থিতিশীল না, অনেক দেশে ভিসা নিয়ে জটিলতা আছে, অনেক দেশে আবার বৈরি আবহাওয়া। অনেকেই আবহাওয়া আর খাবারের সাথে মানিয়ে নিতে পারে না।

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২৭ সেপ্টেম্বর

আসসালামু আলাইকুম #Chittagong_Tourist_Gang এর পক্ষ থেকে সকলকে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বিশ্ব পর্যটন দিবস ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে থাকে। জাতিসংঘের অধীনস্থ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ১৯৮০ সাল থেকে সকল সদস্য দেশে এটি পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস পালনকারী বিশ্বব্যাপী ধরন পর্যটন তাৎপর্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও পর্যটন কেন্দ্রের সাথে সেতুবন্ধন পালনসভা, আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রা, প্রতি বছর ২৭শে সেপ্টেম্বর সুসম্পন্ন করে থাকে।

দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও পর্যটন কেন্দ্রের সাথে সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। এছাড়াও, পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া এ দিবসের অন্যতম লক্ষ্য।

ঠিক ৪.৫ বছর আগে শুরু হয়েছিলো আপনাদের Chittagong Touist Gang.
হ্যা, ২০১৭ সালের ৭ মে নিজেরা মিলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য নামকরণ করা -ই আজকের আপনাদের ভালোবাসার ” Chittagong Touist Gang”

২০১৭ সালের ১৭ মে কাপ্তাই কায়াকিং ট্রিপের মাধ্যমে প্রফেশনাল যাত্রা শুরু হয়েছিলো ট্যুর গ্রুপের কার্যক্রম।

এখন পর্যন্ত আয়োজিত ট্রিপ সংখ্যা প্রায় ১০০ টির ও বেশি, আর এই ট্রিপগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন ৩০০০+ এর মতন ভ্রমণ পিপাসু মানুষ!

এছাড়াও, পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে ছড়িয়ে দিতে এই গ্রুপ প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

প্রথমতঃ রমজান উপলক্ষে এতিমদেরকে ইফতার মাহফিলে এবং ঈদ পোশাক বিতরণ কর্মসূচী সুসম্পন্ন।

দ্বিতীয়তঃ অসহায় ও গরীবদের মাঝে ইফতার ও ঈদ পোশাক বিতরণ সুসম্পন্ন।

তৃতীয়তঃ গ্রুপের বর্ষপূর্তী উপলক্ষে ১২০ জনের ক্যাম্পিং ট্যুরের সম্পূর্নতার মাঝে পুরো কাপ্তাই জুড়ে বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে ও পার্কে সচেতনতা মূলক প্লেকার্ড বিতরণ ও লাগানো।

চতুর্থতঃ বন অভয়ারণ্যে হাজারীখিল বনায়নের প্রেক্ষিতে ৫০ টি চারা লাগানোর মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ অভিযান সুসম্পন্ন করা হয়।

পঞ্চমতঃ বিভিন্ন স্থানে ও বান্দরবান থাঞ্চি গহীনে শীতকালীন বস্ত্র বিতরণ।

তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যটন স্থান সমূহতে নানা প্রকার জনসচেতনতা মূলক কার্যকলাপে এই গ্রুপের উপস্থিতিতা সর্বোপ্রথম।

আমরা অবশ্যই আনন্দ অনুভব করি মানুষের ভালো কিছু সময়ের অংশীদার কিংবা আয়োজক হতে পেরে। অনন্তকাল এই পরম্পরা চলবে ইনশাআল্লাহ।

আশা করছি আপনাদের দোয়া আর ভালোবাসায় এভাবেই আরো বহু বছর, এমনকি শতাব্দী পর্যন্ত আপনাদের সেবা করে যাবে।

ইতি মধ্যে আমরা বেশ কিছু উদ্যেগ নিয়েছি তাছাড়া বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আগামী দিনগুলোতে সকল ট্যুরিজম গ্রুপ গুলোকে একএিত করে জনকল্যাণমুখী কাজ করাই আমাদের একান্ত কাম্য।

ধন্যবাদ
হ্যাপী চাটগাঁইয়া ভ্রমণ পিয়াসু দল

Chittagong tourist gang

Admin

Sakib Nabil

Wafiul Hoque

পঞ্চম বছরে পদার্পন করলো Chittagong Tourist Gang 🎉🎉

৭ মে, ২০২১
হাটিঁ হাটিঁ পা পা করে Chittagong Tourist Gang আজ ৪ বছর শেষ করে, ৫ বছরে পদার্পন করলো। আপনাদের ভালবাসা, সহযোগীতা, অংশগ্রহণে আজকে আমাদের এই অবস্থান।

শুরুটা হয়েছিল আরো অনেক বছর আগে ২০১৩ দিকে, মূলত কলেজ ভিত্তিক ভ্রমন ছিল তখন। এরপর সকলকে নিয়ে গ্রুপভিত্তিক ভ্রমন এর পরিকল্পনা নিয়ে এই গ্রুপ শুরু করা ২০১৮ তে। এরপর আপনাদের সকল থেকে অকল্পনীয় সহযোগীতা, ভালবাসা আর অংশগ্রহণ এর কারনে সফলভাবে আজ ৪বছর শেষ করলাম।💗💗💗

তবে এ যাত্রা তো কেবল শুরু মাত্র। যেতে চাই অনেক দূর। দেখাতে চাই পুরু বাংলাদেশ তথা পুরু পৃথিবী আপনাদের সকলকে নিয়ে।

প্রতিটা ট্যুর শেষ করে যখন আপনাদের রিভিউ পাই, কিংবা মেসেজিং এ একটা ধন্যবাদ, তখনি হয় আমাদের প্রানের সঞ্চার। আমাদের সফলতা এবং প্রাপ্তি ওখানেই। কিংবা নতুন একটি স্থানের বর্ননা দিয়ে, ওই যায়গার যাওয়ার আহব্বান আমদের এগিয়ে নেবার শক্তি যোগায়।

আজকের এই সাফল্যের পেছনে আপনাদের অবদান শতভাগ। আপনাদের দোয়া এবং ভালবাসা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে অনেক দূর। আমাদের ভ্রমণ থাকবে অব্যাহত। আরো অনেক নতুন নতুন ভ্রমন প্ল্যান নিয়ে হাজির হচ্চি আমরা আগামীতে ইন শা আল্লাহ , সংগে থাকুন আমদের সাথে।

এবারের সেলিব্রেশন হবে কিছুটা অন্যরকম ভাবে! চারদিকে মৃত্যুর মিছিল এবং করোনা আতঙ্ক! তাই এবার আমরা আপাতত গেট টুগেদার প্রোগ্রাম অথবা কেক কাটবো না! এবং বাসায় থেকেই সেলিব্রিশন করবো😍
কিন্তু সেটা কিভাবে ?
গ্যাং এর সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোর গল্প শুনতে চাই 😍 ট্যুরে সবসময় গল্প শুনার বায়না নিয়ে আসেন অনেকেই 😇 আমরাই গল্প বলি সব সময়। আজ আপনাদের পালা।

পৃথিবী সুস্থ হলে করোনা মুক্ত হলে আমাদের ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন হবে।
ততদিনে অপেক্ষা।

হ্যাপি ট্রাভেলিং ✌✌✌

চাটগাঁইয়া ভ্রমন পিপাসু দল 😎😎😎

শুভচতুর্থবছর_অতিক্রম 🖖🖖🖖

পঞ্চম বছরে পদার্পন🖐🖐🖐


সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী এডমিন সাকিব নাবিল এবং ওয়াফিউল হক

গ্রুপ লিংক https://www.facebook.com/groups/1300420630074172/?ref=share&exp=e8c2

Chittagong tourist gang নতুন অফিস উদ্বোধন হয়ে গেল গত ২২.০৩.২০২১ তারিখে

Chittagong tourist gang এর নতুন অফিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল গত গত ২২.০৩.২০২১ তারিখে।

এডমিন সাকিব নাবিল এবং ওয়াফিউল হক সবার কাছে দোয়া কামনা করেছে।

এ সময় চট্টগ্রামের সকল ভ্রমণ পিপাসুগন উপস্থিত ছিল।

এবং সকলে Chittagong tourist gang কে দোয়া করেন

https://www.facebook.com/groups/1300420630074172/?ref=share

গ্রুপ লিংক👇👇👇

https://www.facebook.com/groups/1300420630074172/?ref=share

সেন্ট মার্টিন ট্যুর Chittagong Tourist Gang এর সাথে

ট্রলারে সেন্টমার্টিন ভয়ংকর সুন্দর।
এডভেঞ্চার ময় ট্রিপ

ইভেন্ট লিংক 
https://facebook.com/events/s/%E0%A6%9F%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%AA-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%9B%E0%A6%A1%E0%A6%A6/2453098191651234/?ti=cl
জরুরি প্রয়োজনেঃ-
Sakib Nabil:-01834682762
Wafiul Haque :-01675920711

সুষ্ট এবং সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল Chittagong Tourist Gang ৩য় বর্ষপুর্তি উৎসব ও ক্যাম্পিং ট্যুর

দীর্ঘ লক ডাউনের পর অন্য রকম চিল

নিয়ে হাজির হয়েছিল Chittagong tourist gang পুরো ট্যুরই ছিল মজা মাস্তি এবং হৈ-হুল্লোড়ে।

৫০ টি তাবু এবং ১৫০+ মেম্বার নিয়ে

পুরো ট্যুরটি ছিল আনন্দ মুখর।

ইনশাআল্লাহ এমন ট্যুর উপহার দিবে Chittagong tourist gang

শুভ কামনা রইল Chittagong tourist gang এর জন্য

Chittagong Tourist Gang এর সাথে টাঙুয়ার হাওরেঃ-১০-১৩ সেপ্টেম্বর

যারা বাসায় থাকতে থাকতে কাহিল অবস্থা তাঁদের জন্যই Chittagong tourist gang নিয়ে এলো হাওর ভ্রমণের সুযোগ।

তাহলে আর দেরি কেন এখনি আপনার আসনটি পাকা করে নিন।

ইভেন্ট লিংক https://facebook.com/events/s/%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A6%AF%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A6%A1-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%B8-tourist-gang/2774155239482889/?ti=as

জরুরি প্রয়োজনেঃ-

Sakib Nabil:-01834682763

Wafiul Haque :-01675920711

Chittagong Tourist Gang এবার আপনাদের নিয়ে দেবতাখুমের স্বচ্ছ জলে ভেলায় ভাসতে যাচ্ছেঃ-১১.সেপ্টেম্বর.২০২০

দেবতা খুমের স্বচ্ছ জলে ভেলায় ভাসতে|১১.সেপ্টেম্বর.২০২০

লক ডাউনের আগে যারা যাবো যাবো করেও যেতে পারেন নাই তাদের জন্য Chittagong Tourist Gang এর এবারের আয়োজন দেবতাখুমের স্বচ্ছ জলে ভেলায় নিয়ে যাবার।

তাই আর দেরি কেন আপনি আপনার আসন টি কর্নফাম করে নিন।  বুকিং মানি দিয়ে ।

ছেলে মেয়ে সবাই এলাইড তাই সবাই যেতে পারছেন।

যারা যাবেন অবশ্যই ভোটার আইডি /পাসপোর্ট এর ০৫ কপি ফটোকপি নিয়ে আসবেন!!!

ইভেন্ট লিংক

https://facebook.com/events/s/%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6%AE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A6%9B-%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%B2%E0%A6%AF-%E0%A6%AD%E0%A6%B8%E0%A6%A4-touris/1439779169745692/?ti=as  

জরুরি প্রয়োজনেঃ-

Sakib Nabil:-01834682762

Wafiul Haque :-01675920711

Chittagong Tourist Gang ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ক্যাম্পিং ট্যুর

Chittagong Tourist Gang ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে  ক্যাম্পিং ট্যুর

সাগর তীরে মনোরম পরিবেশে রাতে গানের আড্ডা, পানিতে ঝাপাঝাপি, BBQ এবং সাগর তীরে ক্যাম্পিং ও ক্যাম্প ফায়ার সহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সময়টা যে কোন ভ্রমণপিপাপুদের জন্যই বেশ রোমাঞ্চকর। তাই Chittagong Tourist Gang এর ৩য় বর্ষপুর্তি + ক্যম্পিং ট্যুরের জন্য এবারের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে পারকি বিচ,লুসাই পার্ক।
গ্যাং এর বর্ষপূর্তি বলে কথা থাকবে নানা আয়োজন।
দেরি না করে শীঘ্রই কনফার্ম করে নেন আপনার আসন।

🚌#যাত্রার তারিখ: ৩/০৯/২০২০ দুপুর ২.৩০ টা। আর যারা জব করে তাদের কে নিয়ে ৭ টায় এক গ্রুপ নিয়ে যাওয়া হবে।

ফেরার তারিখ: ৪/০৯/২০২০ সন্ধ্যা ৬.০০ টা রওনা।

সন্ধ্যা ৭-৮ টায় চট্টগ্রাম থাকব ইনশাআল্লাহ।

ভ্রমণের খরচঃ ১২০০ টাকা

💰বুকিং ফিঃ ৫০০ টাকা (বিকাশ অথবা সরাসরি অফিসে এসে জমা দিতে পারবেন)
📲বিকাশ নম্বরঃ
01675920711 (bKash personal)
01834682762 (bKash personal)

🔴বিঃদ্রঃ যারা বিকাশ করবেন বিকাশ করার পর তাদের নাম+মোবাইল নাম্বার+বিকাশ এর লাস্ট নাম্বার সহ টি শার্ট এর সাইজ টা মেসেজ করে দিবেন।
🔷যারা যাবেন ১ সেপ্টেম্বর এর আগে তারিখের মধ্যেই নিশ্চিত করতে হবে।
ইভেন্ট লিংক 👇
https://facebook.com/events/s/chittagong-tourist-gang-%E0%A7%A9%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B7/316549126129663/?ti=cl

চুইঝাল

চুই ঝাল, বা চই ঝাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Piper chaba) হচ্ছে পিপারাসি পরিবারের সপুষ্পক লতা। পান ও চুই ঝাল একই পরিবারের,  চুই ঝাল গাছ দেখতে অনেকটা পানের লতার মতো। পাতা কিছুটা লম্বা ও পুরু তবে পানের মতো এর পাতায় ঝাল নেই। চুই ঝাল গাছের  কাণ্ড বা লতা কেটে ছোট টুকরো করে মাছ-মাংস রান্নায় ব্যবহার করা হয়। রান্নার পর এই টুকরো চুই ঝাল চুষে বা চিবিয়ে খাওয়া হয়। চুইয়ের ঝাল মরিচের  স্বাদের মতো হলেও চুইয়ের নিজস্ব স্বাদ ও ঘ্রাণ আছে। চুইঝাল দিয়ে রান্না করা মাংস অসাধারণ খেতে আপনি জীবনে একবার হলেও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

কোন কোন দেশে জন্মেঃ

চুই ঝাল বা চই ঝাল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থানীয় প্রজাতি। এটি গোটা ভারত এবং এশিয়ার অন্যান্য উষ্ণ এলাকাসহ মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিংগাপুর ও শ্রীলংকায় পাওয়া যায়।  বাংলাদেশের খুলনা,বাগেরহাট, নড়াইল, যশোর  ও সাতক্ষীরায় এই ঝাল গাছ ভালো জন্মে।

চাষ পদ্ধতিঃ

উঁচু জায়গায় চুইঝালগাছ ভালো হয়। গোড়ায় পানি জমলে গাছ পচে যায়। গাছে ফুল-ফল হয়। বীজ থেকে চারাও হয়। তবে শিকড়সহ গিঁট কেটে লাগালে সহজে চারা হয়।

রান্নার জন্যে টুকরো করা চুইঃ

যেহেতু গাছটির কাণ্ড বা লতা মসলা হিসেবে ব্যবহার হয়। খুলনা অঞ্চলে চুইঝালকে মসলা হিসেবে ব্যবহার করে চুইঝালের মাংস রান্না করা হয়। রান্নায় এর ঝাল খাবারের স্বাদ বাড়ায় আবার শরীরেরও কোনো ক্ষতি করে না। ঝোল জাতীয় মাছ-মাংস সব কিছুতেই স্বাদ তৈরি করে। এদের কাণ্ড, শিকড়, পাতা, ফুল, ফলের ঔষধি গুণ আছে। বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের জেলা খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এবং নড়াইল এলাকায় এই চুইঝাল মসলা হিসেবে খুব জনপ্রিয়। তবে রান্নার সময় খেয়াল রাখবেন মরিচ গুঁড়ো কম করে দেবেন যেহেতু চুই ঝাল থেকে কিছুটা ঝাল বের হয়ে আসবে।

রাসায়নিক উপাদানঃ

চুইঝালে দশমিক ৭ শতাংশ সুগন্ধি তেল, ৫ শতাংশ অ্যালকালয়েড ও পিপালারটিন আছে ৫ শতাংশ ও ৪ থেকে ৫ শতাংশ পোপিরন থাকে। এছাড়া পোলার্টিন, গ্লাইকোসাইডস, মিউসিলেজ, গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সিজামিন, পিপলাসটেরল থাকে। এর কাণ্ড, শিকড়, পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি ভেষজগুণ সম্পন্ন। শিকড়ে থাকে দশমিক ১৩ থেকে দশমিক ১৫ শতাংশ পিপারিন।

চুইঝালের ঔষধিগুণ আছেঃ

(১) গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;
(২) খাবারের রুচি বাড়াতে এবং ক্ষুধামন্দা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে;
(৩) পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহ সারাতে চুইঝাল অনেক উপকারী;
(৪) স্নায়ুবিক উত্তেজনা ও মানসিক অস্থিরতা প্রশমন করে;
(৫) ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং শরীরের ব্যথা সারায়;
(৬) সদ্য প্রসূতি মায়েদের শরীরের ব্যথা দ্রুত কমাতে ম্যাজিকের মতো সাহায্য করে;
(৭) কাশি, কফ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও রক্তস্বল্পতা দূর করে;
(৮) এক ইঞ্চি পরিমাণ চুই লতার সাথে আদা পিষে খেলে সর্দি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

তাই যারা জীবনে এটি খাননি তারা ট্রাই করে দেখতে পারেন।

লাবাসিন ওয়াটারফলস রেস্তোরাঁ,ফিলিপাইন্স

আচমকা দেখলে মনে হতে পারে যে আর পাঁচটা জলপ্রপাতের মতো এখানেও মানুষ স্নান করার জন্য বা পর্যটনের জন্য ভীড় জমিয়েছেন।
অন্য কারণে বিখ্যাত এই জলপ্রপাতটি।
লন্ডন, জাপান-সহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ইদানিং অনেক ধরনের রেস্তোরাঁর প্রচলন শুরু হয়েছে। কিন্তু ফিলিপিন্সের এই রেস্তোরাঁটিও আপনাকে চমকে দিতে বাধ্য।

কিন্তু ফিলিপিন্সের এই জলপ্রপাতটি আসলে একটি রেস্তোরাঁ। নাম লাবাসিন ওয়াটারফল রেস্তোরাঁ
জলপ্রপাতের নীচেই রেস্তোরাঁ।

ফিলিপিন্সের একটি রিসোর্টের মধ্যে অবস্থিত একটি জলপ্রপাতের মধ্যে এই রেস্তোরাঁটি রয়েছে।জলপ্রপাতের নীচে বাঁশের তৈরি চেয়ার, টেবিলের উপরে বসে গ্রাহকরা খাওয়াদাওয়া সারেন।
ফিলিপিন্সে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই রেস্তোরাঁ।

এখানকার সি-ফুডও বিখ্যাত। খাবারের অর্ডার দেওয়ার পরে অথবা খাওয়ার ফাঁকেই জলে নেমে নিজেকে একটু ভিজিয়ে নিতে পারেন!

বিবিচিনি শাহী মসজিদ

বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা সদর থেকে ১০ কিঃমিঃ দূরে বিবিচিনি ইউনিয়নে এই মসজিদটি অবস্থিত । এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিদের সাথে আলোচনায় জানা যায়, ১৬৫৯ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহ্ নেয়ামত উল্লাহ (রঃ) পারস্য থেকে এই এলাকায় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসে বিবিচিনিতে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।তাঁর কন্যা চিনিবিবি এবং ইসাবিবির নামানুসারে বিবিচিনি গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে এবং মসজিদটির নাম রাখা হয়ছে বিবিচিনি শাহী মসজিদ । মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট, প্রস্থ ৩৩ ফুট ,দেয়ালগুলো ৬ ফুট চওড়া । মসজিদের ইটগুলো মোঘল আমলের ইটের মাপের সমান । সমতল ভূমি হতে মসজিদের স্থানটি ৩০ ফুট টিলার উপর অবস্থিত । তার উপরও প্রায় ২৫ ফুট উচ্চ মসজিদ গৃহ । মসজিদের পাশে রয়েছে ৩ টি কবর । যা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধর্মী । কবর ৩ টি সাধারণ কবরের ন্যায় হলেও লম্বা ১৫/১৬ হাত । এলাকাবাসীর জনা মতে সেখানে চির নিদ্রায় শায়িত আছেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শাহ্ নেয়ামত উল্লাহ্ (র:) এবং তার কন্যা চিনিবিবি এবং ইসাবিবি । আরো জানা যায়, সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে হযরত শাহ্ নেয়ামত উল্লাহ্ (র:) পরলোকগমন করেন এবং মসজিদের পার্শ্বে তাকে সমাহিত করা হয় । উল্লেখ্য প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর কর্তৃক মসজিদটি তালিকাভূক্ত করে এর সংস্কার করা হয়েছে
কিভাবে যাওয়া যায়:
বরগুনা থেকে বাসযোগে বেতাগি যাওয়ার পর মোটরসাইকেল অথবা রিক্সাযোগে গন্তব্যস্থলে পৌছে যেতে পারবেন।এমনকি বরিশাল হতে বাস যোগে সরাসরি এই দর্শনীয় স্থানে যেতে পারবেন।

বিবিচিনি শাহী মসজিদ

কমলাপুর মসজিদ, গৌরনদী

মসজিদ পরিচিতি

কমলাপুর মসজিদ, গৌরনদীঃ

পোড়া মাটির তৈরি সুলতানি আমলের কমলাপুর মসজিদ বরিশাল বিভাগের গৌরনদী উপজেলার কমলাপুর গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদ। স্থানীয় ইতিহাস অনুসারে, এটি ১৬শ শতাব্দীতে মাসুম খান নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৭৫ সাল থেকে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে একটি সুরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে।
ইট দিয়ে বানানো মসজিদটি একটি নিচু জায়গায় অবস্থিত এবং দেখতে আয়তকার। এর আয়তন হলো ১৭.২২ মি × ৮.০৮ মি। মসজিদের পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট পাচটি প্রবেশ পথ রয়েছে।পূর্ব পাশের প্রবেশ পথটি অন্যগুলোর চেয়ে কিছুটা বড় হওয়ায় এটি বেশি প্রাধান্য পেয়ে থাকে। মসজিদের কিবলার দিকে তিনটি অর্ধ-অষ্টভুজ মিহরাব আছে। এর মধ্যে মাঝখানের মিহরাবটি বাইরের দিকে অভিক্ষিপ্ত এবং দুপ্রান্তে দুটি ছোট অষ্টভুজ বুরুজ রয়েছে।ইটের তৈরি এই মসজিদকে খিলানের সাহায্যে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক ভাগে একটি করে কন্দাকৃতির আকারের গম্বুজ রয়েছে।সুলতানি বৈশিষ্ট্যের পোড়ামাটির কাজ দিয়ে মসজিদটি সাজানো হয়েছে।প্রবেশপথের আয়তাকার অংশে প্যাঁচানো ফুলেল নকশা, গোলাপ নকশা, জালি নকশা প্রভৃতি মোটিফ সম্বলিত পোড়ামাটির ফলক দিয়ে সাজানো হয়েছে।
বর্তমানে রং ও সংস্কার করা হয়েছে। পুর্বের ও বর্তমান ছবি দেয়া হল।

কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, বরিশাল

মসজিদ পরিচিতি পর্ব
কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, বরিশাল।
ঐতিহাসিক  কড়াপুর মিয়া বাড়ি মসজিদ মুঘল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ।  এটি বরিশাল সদরের কড়াপুরে অবস্থিত। দোতলা এই মসজিদের নিচে ছয়টি দরজা, দোতলায় তিনটি দরজা, তিনটি গম্বুজ, ৮টি বড় ও ১২টি ছোট মিনার রয়েছে।
এটি বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের ব্রিটিশ আমলের সূচনালগ্নে নির্মিত একটি মসজিদ। শহরের পশ্চিমদিকে বরিশাল- কড়াপুর সড়ক সংলগ্ন মিয়াবাড়িতে মসজিদটি অবস্থিত। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হায়াত মাহমুদ ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার কারণে প্রিন্স অফ ওয়েলস দ্বীপে নির্বাসিত হন এবং তার বুর্জুগ উমেদপুরের জমিদারিও কেড়ে নেয়া হয়। দীর্ঘ ষোল বছর পর দেশে ফিরে তিনি দু’টি দীঘি এবং দোতলা এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটির স্থাপত্যরীতিতে পুরান ঢাকায় অবস্থিত শায়েস্তা খান নির্মিত কারতলব খান মসজিদের অনুকরণ দৃশ্যমান

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয়স্থান

সকল বিভাগীয় জেলা সমূহ

*০১.চট্টগ্রাম

০১.কুমিল্লা 

শালবন বিহার ও প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) শাহ সুজা মসজিদ, জগন্নাথ মন্দির, ধর্মসাগর, বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ, রূপবানমুড়া ও কুটিলামুড়া, বার্ডসংলগ্ন জোড়কানন দীঘি, জগন্নাথ দীঘি, বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন, শ্রী শ্রী রামঠাকুরের আশ্রম, রামমালা পাঠাগার ও নাটমন্দির, লাকসাম রোড, নবাব ফয়জুন্নেছার বাড়ি, সঙ্গীতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের বাড়ি, রাজেশপুর বন বিভাগের পিকনিক স্পট, গোমতি নদী, পুরাতন অভয়াশ্রম (কেটিসিসিএ লি.), বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড, কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বেগম নার্গিসের বাড়ি, নবাব ফয়জুন্নেছার পৈতৃক বাড়ি।

০২.ফেনী 

সোনাগাজী মুহুরি সেচ প্রকল্প, পাগলা মিয়ার মাজার, শিলুয়ার শীল পাথর, রাজাঝির দীঘি, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মসজিদ ও বাসভবন, চাঁদগাজী মসজিদ, ফেনী সরকারি কলেজ ভবন, মহিপালের বিজয় সিংহ দীঘি, শশদি পরির দীঘি,কৈয়ারা দিঘী,শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা, এক খোইল্লা দিঘী, শুভপুর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ। 

০৩.ব্রাহ্মণবাড়িয়া 

কালভৈরব, সৌধ হীরণ্ময়, হাতিরপুল, কেল্লা শহীদ মাজার, গঙ্গাসাগর দীঘি, উলচাপাড়া মসজিদ, কাজী মাহমুদ শাহ (রহ.) মাজার, ছতুরা শরীফ, নাটঘর মন্দির, বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির।

০৪.রাঙ্গামাটি 

কর্ণফুলী হ্রদ, পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝরনা, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, জেলা প্রশাসক বাংলো, জেলা প্রশাসক এলএইচ নিবলেটের সমাধি।

০৫.নােয়াখালী 

পাবলিক লাইব্রেরি, গান্ধী আশ্রম, বজরা শাহী জামে মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর, নিঝুম দ্বীপ।

০৬.চাঁদপুর

শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির, মনসামুড়া, দোয়াটি, সাহারপাড়ের দীঘি, উজানীতে বেহুলার পাটা, তুলাতলি মঠ, সাহেবগঞ্জ নীলকুঠি, লোহাগড় মঠ, রূপসা জমিদারবাড়ি, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, হজরত মাদ্দা খাঁ (রহ.) মসজিদ, বলাখাল জমিদারবাড়ি, নাসিরকোর্ট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থল, নাগরাজাদের বাড়ি, মঠ ও দীঘি, মঠ, নাওড়া, শাহরাস্তির (রহ.) মাজার, তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন কবর।

০৭.লক্ষ্মীপুর 

দালালবাজার জমিদারবাড়ি, কামানখোলা জমিদারবাড়ি, তিতা খাঁ জামে মসজিদ, জিনের মসজিদ, খোয়া সাগর দীঘি, মটকা মসজিদ।

০৮.চট্টগ্রাম 

ফয়স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, চট্টগ্রাম শিশুপার্ক, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, আগ্রাবাদ, বাটালি হিল, ডিসি অফিস (পরীর পাহাড়), কোর্ট বিল্ডিং, ওয়ার সিমেট্রি (কমনওয়েলথ যুদ্ধসমাধি), ডিসি হিল, কদম মোবারক মসজিদ, শাহ্ আমানতের (রহ.) দরগা, বদর আউলিয়ার (রহ.) দরগা, বায়েজিদ বোস্তামির (রহ.) মাজার, শেখ ফরিদের চশমা, ওলি খাঁর মসজিদ, আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, হামজার মসজিদ, হামজারবাগ, পাথরঘাটা রোমান ক্যাথলিক গির্জা, চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার, নন্দনকানন, কৈবল্যধাম, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির, সীতাকুন্ড, বাঁশখালী ইকোপার্ক, সীতাকুন্ড ইকোপার্ক।

০৯.কক্সবাজার 

সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, অগে্গ্মধা ক্যাং, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, রামকোর্ট, লামারপাড়া ক্যাং, ইনানী, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, মাথিনের কূপ, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

১০.খাগড়াছড়ি

আলুটিলা, আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় গুহা, দেবতার পুকুর, ভগবানটিলা, দুই টিলা ও তিন টিলা, আলুটিলার ঝরনা, পর্যটন মোটেল, খাগড়াছড়ি, পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, মহালছড়ি হ্রদ, শতায়ু বটগাছ।

১১.বান্দরবান

মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, বগালেক, স্বর্ণমন্দির, কেওক্রাডং, নীলগিরি, প্রান্তিক লেক, ঋজুক জলপ্রপাত, মিরিঞ্জা কমপ্লেক্স।

*০২.রাজশাহী 

০১.সিরাজগঞ্জ 

বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু, মখদুম শাহের মাজার, রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, চলনবিল, যাদব চক্রবর্তী নিবাস, ইলিয়ট ব্রিজ, শাহজাদপুর মসজিদ, জয়সাগর দীঘি, নবরত্ন মন্দির, ছয়আনি পাড়া দুই গম্বুজ মসজিদ, ভিক্টোরিয়া স্কুল, হার্ড পয়েন্ট, ইকো পার্ক, মিল্কভিটা, রাউতারা বাঁধ ও স্লুইসগেট, বাঘাবাড়ি নদীবন্দর।

০২.পাবনা

ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ, জোড়বাংলার মন্দির, তাড়াশ বিল্ডিং, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, প্রশান্তি ভুবন বিনোদন পার্ক, অনুকূল ঠাকুর টেম্পল, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, সমন্বিত লাগসই কৃষি প্রযুক্তি জাদুঘর, চাটমোহর শাহী মসজিদ, সমাজ শাহী মসজিদ, হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির, হরিপুর জমিদারবাড়ি পুকুর, মথুরাপুর মিশন, চলনবিলের সূর্যাস্ত, বড়াল ব্রিজ রেলসেতু, বৃদ্ধমরিচ শাহী মসজিদ, জমিদার রানীর পুকুরঘাট, শেখ শাহ্? ফরিদ (রহ.) মসজিদ, লর্ড হার্ডিঞ্জ রেল সেতু, লালন শাহ সেতু, ঈশ্বরদী রেলজংশন, ঈশ্বরদী ইপিজেড, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর, কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, শহীদনগর স্মৃতিস্তম্ভ, বেঙ্গল মিট, সুজানগর আজিম চৌধুরীর জমিদারবাড়ি, গাজনার বিল, হজরত মাহতাব উদ্দিন শাহ আউলিয়ার মাজার, তাঁতীবন্দ জমিদারবাড়ি, নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাট, কৈটোলা নিষ্কাশন পাম্প হাউস, বেড়া পাম্প হাউস ও স্লুইসগেট, হুরাসাগর নদীর তীরে বেড়া পোর্ট।

০৩.বগুড়া 

মহাস্থানগড়, ভাসু-বিহার, গোকুল মেধ, শাহ্ সুলতান বলখি মাহী সাওয়ারের মাজার, ভবানীপুর শিবমন্দির, ভবানী মন্দির, খেড়ুয়া মসজিদ, মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম, গ্রায়েন বাঁধ, ওয়ান্ডারল্যান্ড, মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।

০৪.রাজশাহী 

হজরত শাহ মখদুম রূপোষের (রহ.) দরগা, পুঠিয়া রাজবাড়ি, পুঠিয়া বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া বড় শিবমন্দির, পুঠিয়া দোলমন্দির, পুঠিয়া গোবিন্দ মন্দির, বাঘা মসজিদ, দুই গম্বুজবিশিষ্ট কিসমত মাড়িয়া মসজিদ, এক গম্বুজবিশিষ্ট রুইপাড়া (দুর্গাপুর) জামে মসজিদ, বাগধানী মসজিদ (পবা), তিন গম্বুজবিশিষ্ট ভাগনা (তানোর) জামে মসজিদ, হজরত শাহ্ সুলতান (র.)-এর মাজার, চতুর্দশ শতাব্দী), দেওপাড়া প্রশস্তি, বড়কুঠি (অষ্টাদশ শতাব্দী), তালোন্দ শিব মন্দির, রাজশাহী বড়কুঠি, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, রাজশাহী কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী।

০৫.নাটোর 

উত্তরা গণভবন, রানী ভবানী রাজবাড়ি, লুর্দের রানী ধর্মপল্লী, বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

০৬.জয়পুরহাট 

আছরাঙ্গা দীঘি, নান্দাইল দীঘি, লকমা রাজবাড়ি, পাথরঘাটা নিমাই পীরের মাজার, গোপীনাথপুর মন্দির, দুওয়ানী ঘাট, বারশিবালয় মন্দির, হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, কড়ই কাদিপুর বধ্যভূমি, সেভেনথ ডে অ্যাডভেন্টিস মারানাথা সেমিনার খনজনপুর খ্রিস্টান মিশনারি স্মৃতিস্তম্ভ-৭১, শিশু উদ্যান।

০৭.চাঁপাইনবাবগঞ্জ 

ছোট সোনা মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি, দারসবাড়ী মসজিদ ও মাদ্রাসা, দারসবাড়ী মসজিদের প্রস্তরলিপি, খঞ্জনদীঘির মসজিদ, ধনাইচকের মসজিদ, চামচিকা মসজিদ, তিন গম্বুজ মসজিদ ও তাহখানা, তাহখানা কমপ্লেক্স, শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহ.) মাজার, শাহ নেয়ামতউল্লাহর সমাধি, কোতোয়ালি দরওয়াজা, দাফেউল বালা, বালিয়াদীঘি, খঞ্জনদীঘি, কানসাটের জমিদারবাড়ি, তরতীপুর, চাঁপাই জামে মসজিদ, মহারাজপুর জামে মসজিদ, মাঝপাড়া জামে মসজিদ, হজরত বুলন শাহর (রহ.) মাজার, সর্ববৃহৎ দুর্গাপূজা, মহারাজপুর মঞ্চ, বারঘরিয়া মঞ্চ, জোড়া মঠ।

০৮.নওগাঁ 

কুশুম্বা মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, পতিসর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, দিব্যক জয়সত্মম্ভ, মাহি সমেত্মাষ, বলিহার রাজবাড়ি, আলতাদীঘি, জগদলবাড়ি, হলুদবিহার, দুবলহাটি জমিদারবাড়ি।

*নাটোর 

উত্তরা গণভবন, রানী ভবানী রাজবাড়ি, লুর্দের রানী ধর্মপল্লী, বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

*০৩.খুলনা 

০১.যশাের 

হাজী মুহাম্মদ মহসিনের ইমামবাড়ী, মীর্জানগর হাম্মামখানা, ভরত ভায়না মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, ভাতভিটা, সীতারাম রায়ের দোলমঞ্চ, গাজী-কালু-চম্পাবতীর কবর, বাঘানায়ে খোদা মসজিদ, পাঠাগার মসজিদ, মনোহর মসজিদ, শেখপুরা জামে মসজিদ, শুভরাঢ়া মসজিদ, মীর্জানগর মসজিদ, ঘোপের মসজিদ, শুক্কুর মল্লিকের মসজিদ, নুনগোলা মসজিদ, কায়েমকোলা মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গা সর্বজনীন পূজামন্দির, দশ মহাবিদ্যামন্দির, অভয়নগর মন্দির, পঞ্চরত্ন মন্দির, ভুবনেশ্বরী দেবীর মন্দির, রায়গ্রাম জোড়বাংলা মন্দির, লক্ষ্মীনারায়ণের মন্দির, মুড়লি শিবমন্দির, জোড়বাংলার দশভুজার মন্দির, চড়ো শিবমন্দির।

০২.সাতক্ষীরা

সুন্দরবন, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত, যশোরেশ্বরী মন্দির, হরিচরণ রায়চৌধুরীর জমিদারবাড়ি ও জোড়া শিবমন্দির, যিশুর গির্জা, মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট, মায়ের মন্দির, মায়ি চম্পার দরগা, জোড়া শিবমন্দির, শ্যামসুন্দর মন্দির, চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ, তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ, গুনাকরকাটি মাজার, বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির, টাউন শ্রীপুর, দেবহাটা থানা, প্রবাজপুর মসজিদ, নলতা শরীফ।

০৩.মেহেরপুর 

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক আম্রকানন, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, পৌর ঈদগাহ, মেহেরপুর পৌর কবরস্থান, মেহেরপুর পৌর হল, মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, আমঝুপি নীলকুঠি, ভাটপাড়ার নীলকুঠি, সাহারবাটি, ভবানন্দপুর মন্দির।

০৪.নড়াইল

সুলতান কমপ্লেক্স, বাধাঘাট, নিরিবিলি পিকনিক স্পট, অরুনিমা ইকো পার্ক, চিত্রা রিসোর্ট, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লেক্স।

০৫.চুয়াডাঙ্গা 

ঘোলদাড়ি জামে মসজিদ, তিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদ, আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন, হজরত খাজা মালিক উল গাউসের (রহ.) মাজার (গড়াইটুপি অমরাবতী মেলা), দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোং লি., দর্শনা রেলস্টেশন, দর্শনা শুল্ক স্টেশন, দর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোস্ট, নাটুদহ আটকবর, নাটুদহ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, চারুলিয়া, কার্পাসডাঙ্গা, তালসারি, দত্তনগর কৃষি খামার, ধোপাখালী মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থান, কাশিপুর জমিদারবাড়ি, ধোপাখালী শাহী মসজিদ।

০৬.কুষ্টিয়া 

শিলাইদহ কুঠিবাড়ী, লালন শাহের মাজার, মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা, ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ, আড়-য়া পাড়ার নফর শাহের মাজার, কুমারখালী বাজারে দরবেশ সোনা বন্ধুর মাজার এবং সাফিয়ট গ্রামের জঙ্গলী শাহের মাজার, জর্জবাড়ী, মুহিষকুন্ডি নীলকুঠি, কালীদেবী মন্দির, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’।

০৭.মাগুরা 

রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানীর ধ্বংসাবশেষ, সুলতানী আমলে প্রতিষ্ঠিত মাগুরা আঠারখাদা মঠবাড়ি, সিদ্ধেশ্বরী মঠ, ভাতের ভিটা পুরাকীর্তি, শ্রীপুর জমিদারবাড়ি, মোকাররম আলী (রহ.) দরগাহ, শত্রুজিৎপুর মদনমোহন মন্দির।

০৮.খুলনা 

সুন্দরবন, রেলস্টেশনের কাছে মিস্টার চার্লির কুঠিবাড়ি, দক্ষিণডিহি, পিঠাভোগ, রাড়ুলী, সেনহাটি, বকুলতলা, শিরোমণি, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি সৌধ, চুকনগর, গল্লামারী, খানজাহান আলী কর্তৃক খননকৃত বড় দীঘি, মহিম দাশের বাড়ি, খলিশপুর সত্য আশ্রম।

০৯.বাগেরহাট 

ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার, সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনখোলা মসজিদ, পীর আলী মুহাম্মদ তাহেরের সমাধি, এক গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, রণবিজয়পুর মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, খানজাহানের বসতভিটা, ঢিবি, কোদলা মঠ, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি। ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, সুন্দরবন।

১০.ঝিনাইদহ 

নলডাঙ্গা মন্দির, মিয়ার দালান, কেপি বসুর বাড়ি, গোড়ার মসজিদ, মিয়ার দালান, গলাকাটা মসজিদ, জোড়বাংলা মসজিদ, সাতগাছিয়া মসজিদ, জাহাজঘাটা হাসিলবাগ গাজী-কালু-চম্পাবতীর মাজার, বলু দেওয়ানের বাজার, দত্তনগর কৃষি খামার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ ও মাজার, শৈলকুপা রামগোপাল মন্দির, মরমি কবি পাঞ্জু শাহের মাজার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ, কামান্না ২৭ শহীদের মাজার, সিরাজ সাঁইয়ের মাজার, ঢোলসমুদ্র দীঘি, মল্লিকপুরের এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ।

*০৪.বরিশাল 

০১.ঝালকাঠি 

সুজাবাদের কেল্লা, ঘোষাল রাজ বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, নুরুল্লাপুর মঠ, সিভিল কোর্ট ভবন, সাতুরিয়া জমিদারবাড়ি, জীবনানন্দ দাশের মামাবাড়ি, কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি, গাবখান সেতু, ধানসিঁড়ি নদী, রূপসা খাল, নেছারাবাদ কমপ্লেক্স, পোনাবালিয়া মন্দির, সিদ্ধকাঠি জমিদারবাড়ি, নলছিটি পৌরভবন, মার্চেন্টস্ স্কুল, চায়না কবর, কামিনী রায়ের বাড়ি, কুলকাঠি মসজিদ, সুরিচোড়া জামে মসজিদ, শিবমন্দির, নাদোরের মসজিদ।

০২.পটুয়াখালী 

কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহার, শ্রীরামপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, মিঠাপুকুর, কানাইবালাই দীঘি, কমলা রানীর দীঘি, সুলতান ফকিরের মাজার, নুরাইনপুর রাজবাড়ি, শাহী মসজিদ।

০৩.পিরােজপুর 

রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি, মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ, শ্রীরামকাঠি প্রণব মঠ সেবাশ্রম, গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব, শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি, মাঝের চর মঠবাড়িয়া, পাড়েরহাট জমিদারবাড়ি, বলেশ্বরঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ।

০৪.বরিশাল

দুর্গাসাগর, কালেক্টরেট ভবন, চাখার প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, রামমোহনের সমাধি মন্দির, সুজাবাদের কেল্লা, সংগ্রাম কেল্লা, শারকলের দুর্গ, গির্জামহল্লা, বেলস পার্ক, এবাদুল্লা মসজিদ, কসাই মসজিদ, অক্সফোর্ড গির্জা, শংকর মঠ, মুকুন্দ দাসের কালীবাড়ি, ভাটিখানার জোড়া মসজিদ, অশ্বিনী কুমার টাউন হল, চরকিল্লা, এক গম্বুজ মসজিদ, সাড়ে তিন মণ ওজনের পিতলের মনসা। 

০৫.ভােলা

চরকুকরিমুকরি, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর, ওয়ান্ডার কিংডম, মনপুরা দ্বীপ।

০৬.বরগুনা

বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সোনারচর, লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত, হরিণঘাটা, রাখাইন এলাকা, বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমি।

*০৫.সিলেট 

০১.সিলেট 

জাফলং, ভোলাগঞ্জ, লালাখাল, তামাবিল, হাকালুকি হাওর, ক্বীন ব্রিজ, হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরানের (রহ.) মাজার, মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি, হাছনরাজার মিউজিয়াম, মালনীছড়া চা-বাগান, এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর, পর্যটন মোটেল, জাকারিয়া সিটি, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, আলী আমজাদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ি, মণিপুরী রাজবাড়ি, মণিপুরী মিউজিয়াম, শাহী ঈদগাহ, ওসমানী শিশুপার্ক।

০২.মৌলভীবাজার 

চা-বাগান, মাধবকুন্ড, মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, বর্ষিজোড়া ইকো পার্ক, হজরত শাহ মোস্তফার (রহ.) মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ।

০৩.হবিগঞ্জ 

বিথঙ্গল আখড়া, বানিয়াচং প্রাচী রাজবাড়ির ধংসাবশেষ, বানিয়াচং পুরানবাগ মসজিদ, সাগরদীঘি, হব্যা গোমার দারা গুটি, নাগুড়া ফার্ম, সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট, কালেঙ্গা রিজার্ভ ফরেস্ট, রাবারবাগান, ফরুটসভ্যালি, সিপাহসালার হজরত শাহ সৈয়দ নাসির উদ্দিনের (রহ.) মাজার, লালচান্দ চা-বাগান, দেউন্দি চা-বাগান, লস্করপুর চা-বাগান, চন্ডীছড়া চা-বাগান, চাকলাপুঞ্জি চা-বাগান, চান্দপুর চা-বাগান, নালুয়া চা-বাগান, আমু চা-বাগান, রেমা চা-বাগান, দারাগাঁও চা-বাগান, শ্রীবাড়ী চা-বাগান, পারকুল চা-বাগান, সাতছড়ি চা-বাগান।

০৪.সুনামগঞ্জ 

টাঙ্গুগুয়ার হাওর, হাছনরাজা মিউজিয়াম, লাউড়ের গড়, ডলুরা শহীদদের সমাধিসৌধ, টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প। বাগবাড়ি টিলা , সেলবরষ জামে মসজিদ, সুখাইড় কালীবাড়ি মন্দির, কাহালা কালীবাড়ি, মহেষখলা কালীবাড়ি, তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নে হলহলিয়া গ্রামে রাজা বিজয় সিংহের বাসস্থানের ধ্বংসাশেষ।

*০৬..ঢাকা 

০১.নরসিংদী 

উয়ারী বটেশ্বর, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর, সোনাইমুড়ি টেক, আশ্রাবপুর মসজিদ, ইরানি মাজার, দেওয়ান শরীফ মসজিদ, গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্ত্তভিটা।

০২গাজীপুর 

গেরদা মসজিদ, পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি, বাসদেব মন্দির, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, সাতৈর মসজিদ , ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল, বাইশ রশি জমিদার বাড়ি, জেলা জজ কোর্ট ভবন , ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

0৩.শরীয়তপুর 

০৪.নারায়ণগঞ্জ 

লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, হাজীগঞ্জে ঈশা খাঁর কেল্লা, কদমরসুল দরগাহ, পাঁচ পীরের দরগাহ, ইপিজেড আদমজী, মেরিন একাডেমী, লাঙ্গলবন্দ, সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি, সোনাকান্দা দুর্গ, সালেহ বাবার মাজার, গোয়ালদী মসজিদ, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ, পাগলা ব্রিজ, বন্দর শাহী মসজিদ, মেরী এন্ডারসন (ভাসমান রেস্তোরাঁ), বিবি মরিয়মের মাজার, রাসেল পার্ক, জিন্দাপার্ক।

০৫.টাঙ্গাইল 

আতিয়া মসজিদ, শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার, পরীর দালান, খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার, ঝরোকা, সাগরদীঘি, গুপ্তবৃন্দাবন, পাকুটিয়া আশ্রম, ভারতেশ্বরী হোমস, মহেড়া জমিদারবাড়ি/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, পাকুল্লা মসজিদ, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল/কলেজ, নাগরপুর জমিদারবাড়ি, পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল, উপেন্দ্র সরোব, গয়হাটার মঠ, তেবাড়িয়া জামে মসজিদ, পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি, বঙ্গবন্ধু সেতু, এলেঙ্গা রিসোর্ট, যমুনা রিসোর্ট, কাদিমহামজানি মসজিদ, ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি, সন্তোষ, করটিয়া সা’দত কলেজ, কুমুদিনী সরকারি কলেজ, বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, দোখলা ভিআইপ রেস্ট হাউস, পীরগাছা রাবারবাগান, ভূঞাপুরের নীলকুঠি, শিয়ালকোল বন্দর, ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস, নথখোলা স্মৃতিসৌধ, বাসুলিয়া, রায়বাড়ী, কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ।

0৬.কিশােরগঞ্জ 

ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি, এগারসিন্ধুর দুর্গ, কবি চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির, দিল্লির আখড়া, শোলাকিয়া ঈদগাহ, পাগলা মসজিদ, ভৈরব সেতু, হাওরাঞ্চল, সুকুমার রায়ের বাড়ি, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, দুর্জয় স্মৃতিভাস্কর্য।

০৭.মানিকগঞ্জ 

বালিয়াটি প্রাসাদ, তেওতা জমিদারবাড়ি, তেওতা নবরত্ন মঠ, মানিকগঞ্জের মত্তের মঠ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, শিব সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি, গৌরাঙ্গ মঠ, নারায়ণ সাধুর আশ্রম, মাচাইন গ্রামের ঐতিহাসিক মাজার ও পুরনো মসজিদ, বাঠইমুড়ি মাজার।

০৮.ঢাকা 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা/মেঘনা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, কাজী নজরুল ইসলামের মাজার, বিমানবন্দর, সোনারগাঁও, বিজয় সরণি ফোয়ারা, বসুন্ধরা সিটি, বাকল্যান্ড বাঁধ, বলধা গার্ডেন, অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, শাহআলী বোগদাদির মাজার, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর, ক্রিসেন্ট লেক, শিশুপার্ক, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-১, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-২, বাংলাদেশ-জাপান সেতু, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, হোটেল সোনারগাঁও, কবিভবন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহী মসজিদ, জয়কালী মন্দির, আসাদ গেট, বড় কাটারা, শাপলা চত্বর ফোয়ারা, ঢাকা শহররক্ষা বাঁধ, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য, পল্টন ময়দান, অস্ত্র তৈরির কারখানা, শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন, লোকশিল্প জাদুঘর, গুলশান লেক, ওসমানী উদ্যান, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম, হোটেল শেরাটন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, ধানমন্ডি ঈদগাহ, কমলাপুর বৌদ্ধবিহার- কমলাপুর, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকা তোরণ, বাংলা একাডেমী গ্রন্থাগার, ছোট কাটারা-চকবাজারের দক্ষিণে, কদম ফোয়ারা, বিমাবন্দর রক্ষাবাঁধ, জাগ্রত মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য, স্বাধীনতা জাতীয় স্কোয়ার, মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর, রমনা লেক-রমনা পার্ক, যমুনা ভবন, তিন নেতার স্মৃতিসৌধ, মিরপুর স্টেডিয়াম, হোটেল পূর্বাণী-মতিঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলিস্তান পার্ক, বিনত বিবির মসজিদ, শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার, খ্রিস্টান কবরস্থান, বিমানবাহিনীর সদর দফতর গেট, আওরঙ্গবাদ দুর্গ-লালবাগ, সার্ক ফোয়ারা, দুরন্ত ভাস্কর্য-শিশু একাডেমী, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান-টঙ্গী, ধানমন্ডি লেক-ধানমন্ডি, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, চক মসজিদ, গুরুদুয়ারা নানক শাহী, হোসনি দালান, বলাকা ভাস্কর্য, মহানগর নাট্যমঞ্চ, সামরিক জাদুঘর, রাজারবাগ শহীদ স্মৃতিসৌধ, শিখা অনির্বাণ, সাত গম্বুজ মসজিদ, কাকরাইল চার্চ, দোয়েলচত্বর ভাস্কর্য, মহিলা সমিতি মঞ্চ, হাইকোর্ট ভবন, মহাকাশবিজ্ঞান ভবন, নভোথিয়েটার, তারা মসজিদ, লালবাগ দুর্গ, বাহাদুর শাহ পার্ক, পুলিশ মিউজিয়াম, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাতীয় আর্কাইভস, রাজউক, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড, শিশুপার্ক, শ্যামলী শিশুমেলা।

০৯.মুন্সিগঞ্জ 

বল্লাল সেনের দীঘি, হরিশ্চন্দ্র রাজার দীঘি, রাজা শ্রীনাথের বাড়ি, রামপাল দীঘি, কোদাল ধোয়া দীঘি, শ্রীনগরের শ্যামসিদ্ধির মঠ, সোনারংয়ের জোড়া মঠ, হাসারার দরগাহ, ভাগ্যকূল রাজবাড়ি, রাঢ়ীখালে জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি, কুসুমপুরে তালুকদার বাড়ি মসজিদ, তাজপুর মসজিদ, পাথরঘাটা মসজিদ, কাজীশাহ মসজিদ, পোলঘাটার ব্রিজ, পাঁচ পীরের দরগাহ, সুখবাসপুর দীঘি, শিকদার সাহেবের মাজার, বার আউলিয়ার মাজার, শহীদ বাবা আদমের মসজিদ, ইদ্রাকপুর কেল্লা, অতীশ দীপঙ্করের পন্ডিতভিটা, হরগঙ্গা কলেজ গ্রন্থাগারে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর আবক্ষ মার্বেল মূর্তি।

১০.রাজবাড়ী 

চাঁদ সওদাগরের ঢিবি (মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগরের স্মৃতিচিহ্ন), মথুরাপুর প্রাচীন দেউল, শাহ পাহলোয়ানের মাজার, দাদ্শী মাজার, জামাই পাগলের মাজার, নলিয়া জোডা বাংলা মন্দির, সমাধিনগর মঠ (অনাদি আশ্রম), রথখোলা সানমঞ্চ, নীলকুঠি, মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র, দৌলতদিয়া ঘাট।

১১.মাদারীপুর 

হজরত শাহ মাদারের দরগাহ, আলগী কাজিবাড়ি মসজিদ, রাজা রামমন্দির ঝাউদিগিরি, আউলিয়াপুর নীলকুঠি, মিঠাপুর জমিদারবাড়ি, প্রণব মঠ, বাজিতপুর, মঠের বাজার মঠ, খোয়াজপুর, খালিয়া শান্তি কেন্দ্র, পর্বতের বাগান, শকুনী লেক, সেনাপতির দীঘি।

১২.গােপালগঞ্জ 

বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ, চন্দ্রভর্ম ফোর্ট ( কোটাল দুর্গ), মুকসুদপুরের ঐতিহাসিক নিদর্শন, বহলতলী মসজিদ, ধর্মরায়ের বাড়ি, থানাপাড়া জামে মসজিদ, খাগাইল গায়েবি মসজিদ, কোর্ট মসজিদ, সেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ, সর্বজনীন কালীমন্দির, বিলরুট ক্যানেল, আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি, শুকদেবের আশ্রম, খানার পাড় দীঘি, উলপুর জমিদারবাড়ি, ’৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ)।

১৩.ফরিদপুর

গেরদা মসজিদ, পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি, বাসদেব মন্দির, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, সাতৈর মসজিদ , ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল, বাইশ রশি জমিদার বাড়ি, জেলা জজ কোর্ট ভবন , ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

*০৭.রংপুর 

০১.পঞ্চগড় 

ভিতরগড়, মহারাজার দীঘি, বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, সমতলভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা-বাগান, মির্জাপুর শাহী মসজিদ, বার আউলিয়ার মাজার, গোলকধাম মন্দির, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, রকস্ মিউজিয়াম।

০২.দিনাজপুর 

দিনাজপুর রাজবাড়ি, চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার, কান্তজিউর মন্দির, ঘোডাঘাট দুর্গ, সীতাকোট বিহার, সুরা মসজিদ, নয়াবাদ মসজিদ, রামসাগর, স্বপ্নপুরী, স্টেশন ক্লাব, কালেক্টরেট ভবন, সার্কিট হাউস ও জুলুমসাগর, দিনাজপুর ভবন, সিংড়া ফরেস্ট, হিলি স্থলবন্দর, বিরল স্থলবন্দর।

0৩.লালমনিরহাট 

তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল, তিস্তা ব্যারাজ ও অবসর রেস্ট হাউস, বুড়িমারী স্থলবন্দর, শেখ ফজলল করিমের বাড়ি ও কবর, তুষভান্ডার জমিদারবাড়ি, কাকিনা জমিদারবাড়ি, নিদাড়িয়া মসজিদ, হারানো মসজিদ, সিন্দুরমতি দীঘি, কালীবাড়ি মন্দির ও মসজিদ, বিমানঘাঁটি, তিস্তা রেলসেতু, হালা বটের তল, লালমনিরহাট জেলা জাদুঘর, দালাইলামা ছড়া সমন্বিত খামার প্রকল্প।

০৪.নীলফামারী 

ধর্মপালের রাজবাড়ি, ময়নামতি দুর্গ, ভীমের মায়ের চুলা, হরিশচন্দ্রের পাঠ, সৈয়দপুরের চিনি মসজিদ, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প, নীলফামারী জাদুঘর, কুন্দুপুকুর মাজার, দুন্দিবাড়ী স্লুইসগেট, বাসার গেট, স্মৃতি অম্লান।

০৫.গাইবান্ধা 

বর্ধনকুঠি, নলডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, বামনডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, ভতরখালীর কাষ্ঠ কালী, রাজা বিরাট, ভবানীগঞ্জ পোস্ট অফিস ও বাগুড়িয়া তহশিল অফিস।

০৬.ঠাকুরগাঁও 

জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গী সূর্যপুরী আমগাছ, ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড ট্যুরিজম লি., রাজভিটা, রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, হরিপুর রাজবাড়ি, জগদল রাজবাড়ি, প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন নেকমরদ, পীর শাহ নেকমরদের মাজার, মহালবাড়ি মসজিদ, শালবাড়ি মসজিদ ও ইমামবাড়া, সনগাঁ শাহী মসজিদ, ফতেহপুর মসজিদ, মেদিনীসাগর জামে মসজিদ, গেদুড়া মসজিদ, গোরক্ষনাথ মন্দির, কূপ ও শিলালিপি, হরিণমারী শিবমন্দির, হরিপুর রাজবাড়ি শিবমন্দির, গোবিন্দনগর মন্দির, ঢোলরহাট মন্দির, ভেমটিয়া শিবমন্দির, মালদুয়ার দুর্গ, গড়গ্রাম দুর্গ, বাংলা গড়, গড় ভবানীপুর, গড়খাঁড়ি, কোরমখান গড়, সাপটি বুরুজ, দীঘি।

০৭.রংপুর 

পায়রাবন্দ, তাজহাট জমিদারবাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার, ভিন্ন জগৎ, ঝাড়বিশলা।

০৮.কুড়িগ্রাম 

চান্দামারী মসজিদ, শাহী মসজিদ, চন্ডীমন্দির, দোলমঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি, পাঙ্গা জমিদারবাড়ি ধ্বংসাবশেষ, সিন্দুরমতি দীঘি, চিলমারী বন্দর, শহীদ মিনার, স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক, পাঙ্গা জমিদারবাড়ির কামান, বঙ্গ সোনাহাট ব্রিজ, মুন্সিবাড়ি।

*০৮.ময়মনসিংহ 

০১.শেরপুর 

গড় জরিপার দুর্গ , দরবেশ জরিপ শাহের মাজার, বারদুয়ারী মসজিদ, হযরত শাহ কামালের মাজার, শের আলী গাজীর মাজার, কসবার মুগল মসজিদ, ঘাঘরা লস্কর বাড়ী মসজিদ, মাইসাহেবা মসজিদ, নয়আনী জমিদারের নাট মন্দির, আড়াই আনী জমিদার বাড়ি, পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি, গজনী অবকাশ কেন্দ্র।

০২.ময়মনসিংহ 

শশী লজ, গৌরীপুর লজ, আলেকজান্ডার ক্যাসেল, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা, স্বাধীনতাস্তম্ভ, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী পার্ক, ময়মনসিংহ জাদুঘর, বোটানিক্যাল গার্ডেন, নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র, মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি, মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়ি, গৌরীপুর রাজবাড়ি, বীরাঙ্গনা সখিনার মাজার, রামগোপাল জমিদারবাড়ি, ফুলবাড়িয়া অর্কিড বাগান, চীনা মাটির টিলা, আবদুল জববার স্মৃতি জাদুঘর, কুমিরের খামার, তেপান্তর ফিল্ম সিটি।

০৩.জামালপুর 

হজরত শাহ জামালের (রহ.) মাজার, হজরত শাহ কামালের (রহ.) মাজার, পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট রসপাল জামে মসজিদ (উনবিংশ শতাব্দী), নরপাড়া দুর্গ (ষোড়শ শতাব্দী), গান্ধী আশ্রম, দয়াময়ী মন্দির, দেওয়ানগঞ্জের সুগার মিলস, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট।

০৪.নেত্রকোণা

উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী, বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, রানীখং মিশন, টংক শহীদ স্মৃতিসৌধ, রানীমাতা রাশমণি স্মৃতিসৌধ, কমলা রানী দীঘির ইতিহাস, নইদ্যা ঠাকুরের (নদের চাঁদ) লোক-কাহিনী, সাত শহীদের মাজার, হজরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (রহ.) মাজার, রোয়াইলবাড়ি কেন্দুয়া।



কিছু নতুন জায়গার নাম হয়তো নাই
ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন
সূত্র.গুগল

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয়স্থান

সকল বিভাগীয় জেলা সমূহ

*০১.চট্টগ্রাম

০১.কুমিল্লা 

শালবন বিহার ও প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) শাহ সুজা মসজিদ, জগন্নাথ মন্দির, ধর্মসাগর, বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ, রূপবানমুড়া ও কুটিলামুড়া, বার্ডসংলগ্ন জোড়কানন দীঘি, জগন্নাথ দীঘি, বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন, শ্রী শ্রী রামঠাকুরের আশ্রম, রামমালা পাঠাগার ও নাটমন্দির, লাকসাম রোড, নবাব ফয়জুন্নেছার বাড়ি, সঙ্গীতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের বাড়ি, রাজেশপুর বন বিভাগের পিকনিক স্পট, গোমতি নদী, পুরাতন অভয়াশ্রম (কেটিসিসিএ লি.), বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড, কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বেগম নার্গিসের বাড়ি, নবাব ফয়জুন্নেছার পৈতৃক বাড়ি।

০২.ফেনী 

সোনাগাজী মুহুরি সেচ প্রকল্প, পাগলা মিয়ার মাজার, শিলুয়ার শীল পাথর, রাজাঝির দীঘি, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মসজিদ ও বাসভবন, চাঁদগাজী মসজিদ, ফেনী সরকারি কলেজ ভবন, মহিপালের বিজয় সিংহ দীঘি, শশদি পরির দীঘি,কৈয়ারা দিঘী,শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা, এক খোইল্লা দিঘী, শুভপুর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ। 

০৩.ব্রাহ্মণবাড়িয়া 

কালভৈরব, সৌধ হীরণ্ময়, হাতিরপুল, কেল্লা শহীদ মাজার, গঙ্গাসাগর দীঘি, উলচাপাড়া মসজিদ, কাজী মাহমুদ শাহ (রহ.) মাজার, ছতুরা শরীফ, নাটঘর মন্দির, বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির।

০৪.রাঙ্গামাটি 

কর্ণফুলী হ্রদ, পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝরনা, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, জেলা প্রশাসক বাংলো, জেলা প্রশাসক এলএইচ নিবলেটের সমাধি।

০৫.নােয়াখালী 

পাবলিক লাইব্রেরি, গান্ধী আশ্রম, বজরা শাহী জামে মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর, নিঝুম দ্বীপ।

০৬.চাঁদপুর

শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির, মনসামুড়া, দোয়াটি, সাহারপাড়ের দীঘি, উজানীতে বেহুলার পাটা, তুলাতলি মঠ, সাহেবগঞ্জ নীলকুঠি, লোহাগড় মঠ, রূপসা জমিদারবাড়ি, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, হজরত মাদ্দা খাঁ (রহ.) মসজিদ, বলাখাল জমিদারবাড়ি, নাসিরকোর্ট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থল, নাগরাজাদের বাড়ি, মঠ ও দীঘি, মঠ, নাওড়া, শাহরাস্তির (রহ.) মাজার, তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন কবর।

০৭.লক্ষ্মীপুর 

দালালবাজার জমিদারবাড়ি, কামানখোলা জমিদারবাড়ি, তিতা খাঁ জামে মসজিদ, জিনের মসজিদ, খোয়া সাগর দীঘি, মটকা মসজিদ।

০৮.চট্টগ্রাম 

ফয়স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, চট্টগ্রাম শিশুপার্ক, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, আগ্রাবাদ, বাটালি হিল, ডিসি অফিস (পরীর পাহাড়), কোর্ট বিল্ডিং, ওয়ার সিমেট্রি (কমনওয়েলথ যুদ্ধসমাধি), ডিসি হিল, কদম মোবারক মসজিদ, শাহ্ আমানতের (রহ.) দরগা, বদর আউলিয়ার (রহ.) দরগা, বায়েজিদ বোস্তামির (রহ.) মাজার, শেখ ফরিদের চশমা, ওলি খাঁর মসজিদ, আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, হামজার মসজিদ, হামজারবাগ, পাথরঘাটা রোমান ক্যাথলিক গির্জা, চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার, নন্দনকানন, কৈবল্যধাম, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির, সীতাকুন্ড, বাঁশখালী ইকোপার্ক, সীতাকুন্ড ইকোপার্ক।

০৯.কক্সবাজার 

সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, অগে্গ্মধা ক্যাং, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, রামকোর্ট, লামারপাড়া ক্যাং, ইনানী, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, মাথিনের কূপ, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

১০.খাগড়াছড়ি

আলুটিলা, আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় গুহা, দেবতার পুকুর, ভগবানটিলা, দুই টিলা ও তিন টিলা, আলুটিলার ঝরনা, পর্যটন মোটেল, খাগড়াছড়ি, পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, মহালছড়ি হ্রদ, শতায়ু বটগাছ।

১১.বান্দরবান

মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, বগালেক, স্বর্ণমন্দির, কেওক্রাডং, নীলগিরি, প্রান্তিক লেক, ঋজুক জলপ্রপাত, মিরিঞ্জা কমপ্লেক্স।

*০২.রাজশাহী 

০১.সিরাজগঞ্জ 

বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু, মখদুম শাহের মাজার, রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, চলনবিল, যাদব চক্রবর্তী নিবাস, ইলিয়ট ব্রিজ, শাহজাদপুর মসজিদ, জয়সাগর দীঘি, নবরত্ন মন্দির, ছয়আনি পাড়া দুই গম্বুজ মসজিদ, ভিক্টোরিয়া স্কুল, হার্ড পয়েন্ট, ইকো পার্ক, মিল্কভিটা, রাউতারা বাঁধ ও স্লুইসগেট, বাঘাবাড়ি নদীবন্দর।

০২.পাবনা

ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ, জোড়বাংলার মন্দির, তাড়াশ বিল্ডিং, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, প্রশান্তি ভুবন বিনোদন পার্ক, অনুকূল ঠাকুর টেম্পল, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, সমন্বিত লাগসই কৃষি প্রযুক্তি জাদুঘর, চাটমোহর শাহী মসজিদ, সমাজ শাহী মসজিদ, হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির, হরিপুর জমিদারবাড়ি পুকুর, মথুরাপুর মিশন, চলনবিলের সূর্যাস্ত, বড়াল ব্রিজ রেলসেতু, বৃদ্ধমরিচ শাহী মসজিদ, জমিদার রানীর পুকুরঘাট, শেখ শাহ্? ফরিদ (রহ.) মসজিদ, লর্ড হার্ডিঞ্জ রেল সেতু, লালন শাহ সেতু, ঈশ্বরদী রেলজংশন, ঈশ্বরদী ইপিজেড, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর, কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, শহীদনগর স্মৃতিস্তম্ভ, বেঙ্গল মিট, সুজানগর আজিম চৌধুরীর জমিদারবাড়ি, গাজনার বিল, হজরত মাহতাব উদ্দিন শাহ আউলিয়ার মাজার, তাঁতীবন্দ জমিদারবাড়ি, নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাট, কৈটোলা নিষ্কাশন পাম্প হাউস, বেড়া পাম্প হাউস ও স্লুইসগেট, হুরাসাগর নদীর তীরে বেড়া পোর্ট।

০৩.বগুড়া 

মহাস্থানগড়, ভাসু-বিহার, গোকুল মেধ, শাহ্ সুলতান বলখি মাহী সাওয়ারের মাজার, ভবানীপুর শিবমন্দির, ভবানী মন্দির, খেড়ুয়া মসজিদ, মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম, গ্রায়েন বাঁধ, ওয়ান্ডারল্যান্ড, মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।

০৪.রাজশাহী 

হজরত শাহ মখদুম রূপোষের (রহ.) দরগা, পুঠিয়া রাজবাড়ি, পুঠিয়া বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া বড় শিবমন্দির, পুঠিয়া দোলমন্দির, পুঠিয়া গোবিন্দ মন্দির, বাঘা মসজিদ, দুই গম্বুজবিশিষ্ট কিসমত মাড়িয়া মসজিদ, এক গম্বুজবিশিষ্ট রুইপাড়া (দুর্গাপুর) জামে মসজিদ, বাগধানী মসজিদ (পবা), তিন গম্বুজবিশিষ্ট ভাগনা (তানোর) জামে মসজিদ, হজরত শাহ্ সুলতান (র.)-এর মাজার, চতুর্দশ শতাব্দী), দেওপাড়া প্রশস্তি, বড়কুঠি (অষ্টাদশ শতাব্দী), তালোন্দ শিব মন্দির, রাজশাহী বড়কুঠি, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, রাজশাহী কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী।

০৫.নাটোর 

উত্তরা গণভবন, রানী ভবানী রাজবাড়ি, লুর্দের রানী ধর্মপল্লী, বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

০৬.জয়পুরহাট 

আছরাঙ্গা দীঘি, নান্দাইল দীঘি, লকমা রাজবাড়ি, পাথরঘাটা নিমাই পীরের মাজার, গোপীনাথপুর মন্দির, দুওয়ানী ঘাট, বারশিবালয় মন্দির, হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, কড়ই কাদিপুর বধ্যভূমি, সেভেনথ ডে অ্যাডভেন্টিস মারানাথা সেমিনার খনজনপুর খ্রিস্টান মিশনারি স্মৃতিস্তম্ভ-৭১, শিশু উদ্যান।

০৭.চাঁপাইনবাবগঞ্জ 

ছোট সোনা মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি, দারসবাড়ী মসজিদ ও মাদ্রাসা, দারসবাড়ী মসজিদের প্রস্তরলিপি, খঞ্জনদীঘির মসজিদ, ধনাইচকের মসজিদ, চামচিকা মসজিদ, তিন গম্বুজ মসজিদ ও তাহখানা, তাহখানা কমপ্লেক্স, শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহ.) মাজার, শাহ নেয়ামতউল্লাহর সমাধি, কোতোয়ালি দরওয়াজা, দাফেউল বালা, বালিয়াদীঘি, খঞ্জনদীঘি, কানসাটের জমিদারবাড়ি, তরতীপুর, চাঁপাই জামে মসজিদ, মহারাজপুর জামে মসজিদ, মাঝপাড়া জামে মসজিদ, হজরত বুলন শাহর (রহ.) মাজার, সর্ববৃহৎ দুর্গাপূজা, মহারাজপুর মঞ্চ, বারঘরিয়া মঞ্চ, জোড়া মঠ।

০৮.নওগাঁ 

কুশুম্বা মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, পতিসর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, দিব্যক জয়সত্মম্ভ, মাহি সমেত্মাষ, বলিহার রাজবাড়ি, আলতাদীঘি, জগদলবাড়ি, হলুদবিহার, দুবলহাটি জমিদারবাড়ি।

*নাটোর 

উত্তরা গণভবন, রানী ভবানী রাজবাড়ি, লুর্দের রানী ধর্মপল্লী, বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

*০৩.খুলনা 

০১.যশাের 

হাজী মুহাম্মদ মহসিনের ইমামবাড়ী, মীর্জানগর হাম্মামখানা, ভরত ভায়না মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, ভাতভিটা, সীতারাম রায়ের দোলমঞ্চ, গাজী-কালু-চম্পাবতীর কবর, বাঘানায়ে খোদা মসজিদ, পাঠাগার মসজিদ, মনোহর মসজিদ, শেখপুরা জামে মসজিদ, শুভরাঢ়া মসজিদ, মীর্জানগর মসজিদ, ঘোপের মসজিদ, শুক্কুর মল্লিকের মসজিদ, নুনগোলা মসজিদ, কায়েমকোলা মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গা সর্বজনীন পূজামন্দির, দশ মহাবিদ্যামন্দির, অভয়নগর মন্দির, পঞ্চরত্ন মন্দির, ভুবনেশ্বরী দেবীর মন্দির, রায়গ্রাম জোড়বাংলা মন্দির, লক্ষ্মীনারায়ণের মন্দির, মুড়লি শিবমন্দির, জোড়বাংলার দশভুজার মন্দির, চড়ো শিবমন্দির।

০২.সাতক্ষীরা

সুন্দরবন, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত, যশোরেশ্বরী মন্দির, হরিচরণ রায়চৌধুরীর জমিদারবাড়ি ও জোড়া শিবমন্দির, যিশুর গির্জা, মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট, মায়ের মন্দির, মায়ি চম্পার দরগা, জোড়া শিবমন্দির, শ্যামসুন্দর মন্দির, চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ, তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ, গুনাকরকাটি মাজার, বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির, টাউন শ্রীপুর, দেবহাটা থানা, প্রবাজপুর মসজিদ, নলতা শরীফ।

০৩.মেহেরপুর 

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক আম্রকানন, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, পৌর ঈদগাহ, মেহেরপুর পৌর কবরস্থান, মেহেরপুর পৌর হল, মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, আমঝুপি নীলকুঠি, ভাটপাড়ার নীলকুঠি, সাহারবাটি, ভবানন্দপুর মন্দির।

০৪.নড়াইল

সুলতান কমপ্লেক্স, বাধাঘাট, নিরিবিলি পিকনিক স্পট, অরুনিমা ইকো পার্ক, চিত্রা রিসোর্ট, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লেক্স।

০৫.চুয়াডাঙ্গা 

ঘোলদাড়ি জামে মসজিদ, তিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদ, আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন, হজরত খাজা মালিক উল গাউসের (রহ.) মাজার (গড়াইটুপি অমরাবতী মেলা), দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোং লি., দর্শনা রেলস্টেশন, দর্শনা শুল্ক স্টেশন, দর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোস্ট, নাটুদহ আটকবর, নাটুদহ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, চারুলিয়া, কার্পাসডাঙ্গা, তালসারি, দত্তনগর কৃষি খামার, ধোপাখালী মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থান, কাশিপুর জমিদারবাড়ি, ধোপাখালী শাহী মসজিদ।

০৬.কুষ্টিয়া 

শিলাইদহ কুঠিবাড়ী, লালন শাহের মাজার, মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা, ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ, আড়-য়া পাড়ার নফর শাহের মাজার, কুমারখালী বাজারে দরবেশ সোনা বন্ধুর মাজার এবং সাফিয়ট গ্রামের জঙ্গলী শাহের মাজার, জর্জবাড়ী, মুহিষকুন্ডি নীলকুঠি, কালীদেবী মন্দির, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’।

০৭.মাগুরা 

রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানীর ধ্বংসাবশেষ, সুলতানী আমলে প্রতিষ্ঠিত মাগুরা আঠারখাদা মঠবাড়ি, সিদ্ধেশ্বরী মঠ, ভাতের ভিটা পুরাকীর্তি, শ্রীপুর জমিদারবাড়ি, মোকাররম আলী (রহ.) দরগাহ, শত্রুজিৎপুর মদনমোহন মন্দির।

০৮.খুলনা 

সুন্দরবন, রেলস্টেশনের কাছে মিস্টার চার্লির কুঠিবাড়ি, দক্ষিণডিহি, পিঠাভোগ, রাড়ুলী, সেনহাটি, বকুলতলা, শিরোমণি, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি সৌধ, চুকনগর, গল্লামারী, খানজাহান আলী কর্তৃক খননকৃত বড় দীঘি, মহিম দাশের বাড়ি, খলিশপুর সত্য আশ্রম।

০৯.বাগেরহাট 

ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার, সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনখোলা মসজিদ, পীর আলী মুহাম্মদ তাহেরের সমাধি, এক গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, রণবিজয়পুর মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, খানজাহানের বসতভিটা, ঢিবি, কোদলা মঠ, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি। ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, সুন্দরবন।

১০.ঝিনাইদহ 

নলডাঙ্গা মন্দির, মিয়ার দালান, কেপি বসুর বাড়ি, গোড়ার মসজিদ, মিয়ার দালান, গলাকাটা মসজিদ, জোড়বাংলা মসজিদ, সাতগাছিয়া মসজিদ, জাহাজঘাটা হাসিলবাগ গাজী-কালু-চম্পাবতীর মাজার, বলু দেওয়ানের বাজার, দত্তনগর কৃষি খামার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ ও মাজার, শৈলকুপা রামগোপাল মন্দির, মরমি কবি পাঞ্জু শাহের মাজার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ, কামান্না ২৭ শহীদের মাজার, সিরাজ সাঁইয়ের মাজার, ঢোলসমুদ্র দীঘি, মল্লিকপুরের এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ।

*০৪.বরিশাল 

০১.ঝালকাঠি 

সুজাবাদের কেল্লা, ঘোষাল রাজ বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, নুরুল্লাপুর মঠ, সিভিল কোর্ট ভবন, সাতুরিয়া জমিদারবাড়ি, জীবনানন্দ দাশের মামাবাড়ি, কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি, গাবখান সেতু, ধানসিঁড়ি নদী, রূপসা খাল, নেছারাবাদ কমপ্লেক্স, পোনাবালিয়া মন্দির, সিদ্ধকাঠি জমিদারবাড়ি, নলছিটি পৌরভবন, মার্চেন্টস্ স্কুল, চায়না কবর, কামিনী রায়ের বাড়ি, কুলকাঠি মসজিদ, সুরিচোড়া জামে মসজিদ, শিবমন্দির, নাদোরের মসজিদ।

০২.পটুয়াখালী 

কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহার, শ্রীরামপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, মিঠাপুকুর, কানাইবালাই দীঘি, কমলা রানীর দীঘি, সুলতান ফকিরের মাজার, নুরাইনপুর রাজবাড়ি, শাহী মসজিদ।

০৩.পিরােজপুর 

রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি, মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ, শ্রীরামকাঠি প্রণব মঠ সেবাশ্রম, গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব, শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি, মাঝের চর মঠবাড়িয়া, পাড়েরহাট জমিদারবাড়ি, বলেশ্বরঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ।

০৪.বরিশাল

দুর্গাসাগর, কালেক্টরেট ভবন, চাখার প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, রামমোহনের সমাধি মন্দির, সুজাবাদের কেল্লা, সংগ্রাম কেল্লা, শারকলের দুর্গ, গির্জামহল্লা, বেলস পার্ক, এবাদুল্লা মসজিদ, কসাই মসজিদ, অক্সফোর্ড গির্জা, শংকর মঠ, মুকুন্দ দাসের কালীবাড়ি, ভাটিখানার জোড়া মসজিদ, অশ্বিনী কুমার টাউন হল, চরকিল্লা, এক গম্বুজ মসজিদ, সাড়ে তিন মণ ওজনের পিতলের মনসা। 

০৫.ভােলা

চরকুকরিমুকরি, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর, ওয়ান্ডার কিংডম, মনপুরা দ্বীপ।

০৬.বরগুনা

বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সোনারচর, লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত, হরিণঘাটা, রাখাইন এলাকা, বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমি।

*০৫.সিলেট 

০১.সিলেট 

জাফলং, ভোলাগঞ্জ, লালাখাল, তামাবিল, হাকালুকি হাওর, ক্বীন ব্রিজ, হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরানের (রহ.) মাজার, মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি, হাছনরাজার মিউজিয়াম, মালনীছড়া চা-বাগান, এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর, পর্যটন মোটেল, জাকারিয়া সিটি, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, আলী আমজাদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ি, মণিপুরী রাজবাড়ি, মণিপুরী মিউজিয়াম, শাহী ঈদগাহ, ওসমানী শিশুপার্ক।

০২.মৌলভীবাজার 

চা-বাগান, মাধবকুন্ড, মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, বর্ষিজোড়া ইকো পার্ক, হজরত শাহ মোস্তফার (রহ.) মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ।

০৩.হবিগঞ্জ 

বিথঙ্গল আখড়া, বানিয়াচং প্রাচী রাজবাড়ির ধংসাবশেষ, বানিয়াচং পুরানবাগ মসজিদ, সাগরদীঘি, হব্যা গোমার দারা গুটি, নাগুড়া ফার্ম, সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট, কালেঙ্গা রিজার্ভ ফরেস্ট, রাবারবাগান, ফরুটসভ্যালি, সিপাহসালার হজরত শাহ সৈয়দ নাসির উদ্দিনের (রহ.) মাজার, লালচান্দ চা-বাগান, দেউন্দি চা-বাগান, লস্করপুর চা-বাগান, চন্ডীছড়া চা-বাগান, চাকলাপুঞ্জি চা-বাগান, চান্দপুর চা-বাগান, নালুয়া চা-বাগান, আমু চা-বাগান, রেমা চা-বাগান, দারাগাঁও চা-বাগান, শ্রীবাড়ী চা-বাগান, পারকুল চা-বাগান, সাতছড়ি চা-বাগান।

০৪.সুনামগঞ্জ 

টাঙ্গুগুয়ার হাওর, হাছনরাজা মিউজিয়াম, লাউড়ের গড়, ডলুরা শহীদদের সমাধিসৌধ, টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প। বাগবাড়ি টিলা , সেলবরষ জামে মসজিদ, সুখাইড় কালীবাড়ি মন্দির, কাহালা কালীবাড়ি, মহেষখলা কালীবাড়ি, তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নে হলহলিয়া গ্রামে রাজা বিজয় সিংহের বাসস্থানের ধ্বংসাশেষ।

*০৬..ঢাকা 

০১.নরসিংদী 

উয়ারী বটেশ্বর, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর, সোনাইমুড়ি টেক, আশ্রাবপুর মসজিদ, ইরানি মাজার, দেওয়ান শরীফ মসজিদ, গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্ত্তভিটা।

০২গাজীপুর 

গেরদা মসজিদ, পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি, বাসদেব মন্দির, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, সাতৈর মসজিদ , ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল, বাইশ রশি জমিদার বাড়ি, জেলা জজ কোর্ট ভবন , ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

0৩.শরীয়তপুর 

০৪.নারায়ণগঞ্জ 

লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, হাজীগঞ্জে ঈশা খাঁর কেল্লা, কদমরসুল দরগাহ, পাঁচ পীরের দরগাহ, ইপিজেড আদমজী, মেরিন একাডেমী, লাঙ্গলবন্দ, সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি, সোনাকান্দা দুর্গ, সালেহ বাবার মাজার, গোয়ালদী মসজিদ, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ, পাগলা ব্রিজ, বন্দর শাহী মসজিদ, মেরী এন্ডারসন (ভাসমান রেস্তোরাঁ), বিবি মরিয়মের মাজার, রাসেল পার্ক, জিন্দাপার্ক।

০৫.টাঙ্গাইল 

আতিয়া মসজিদ, শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার, পরীর দালান, খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার, ঝরোকা, সাগরদীঘি, গুপ্তবৃন্দাবন, পাকুটিয়া আশ্রম, ভারতেশ্বরী হোমস, মহেড়া জমিদারবাড়ি/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, পাকুল্লা মসজিদ, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল/কলেজ, নাগরপুর জমিদারবাড়ি, পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল, উপেন্দ্র সরোব, গয়হাটার মঠ, তেবাড়িয়া জামে মসজিদ, পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি, বঙ্গবন্ধু সেতু, এলেঙ্গা রিসোর্ট, যমুনা রিসোর্ট, কাদিমহামজানি মসজিদ, ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি, সন্তোষ, করটিয়া সা’দত কলেজ, কুমুদিনী সরকারি কলেজ, বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, দোখলা ভিআইপ রেস্ট হাউস, পীরগাছা রাবারবাগান, ভূঞাপুরের নীলকুঠি, শিয়ালকোল বন্দর, ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস, নথখোলা স্মৃতিসৌধ, বাসুলিয়া, রায়বাড়ী, কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ।

0৬.কিশােরগঞ্জ 

ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি, এগারসিন্ধুর দুর্গ, কবি চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির, দিল্লির আখড়া, শোলাকিয়া ঈদগাহ, পাগলা মসজিদ, ভৈরব সেতু, হাওরাঞ্চল, সুকুমার রায়ের বাড়ি, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, দুর্জয় স্মৃতিভাস্কর্য।

০৭.মানিকগঞ্জ 

বালিয়াটি প্রাসাদ, তেওতা জমিদারবাড়ি, তেওতা নবরত্ন মঠ, মানিকগঞ্জের মত্তের মঠ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, শিব সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি, গৌরাঙ্গ মঠ, নারায়ণ সাধুর আশ্রম, মাচাইন গ্রামের ঐতিহাসিক মাজার ও পুরনো মসজিদ, বাঠইমুড়ি মাজার।

০৮.ঢাকা 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা/মেঘনা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, কাজী নজরুল ইসলামের মাজার, বিমানবন্দর, সোনারগাঁও, বিজয় সরণি ফোয়ারা, বসুন্ধরা সিটি, বাকল্যান্ড বাঁধ, বলধা গার্ডেন, অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, শাহআলী বোগদাদির মাজার, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর, ক্রিসেন্ট লেক, শিশুপার্ক, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-১, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-২, বাংলাদেশ-জাপান সেতু, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, হোটেল সোনারগাঁও, কবিভবন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহী মসজিদ, জয়কালী মন্দির, আসাদ গেট, বড় কাটারা, শাপলা চত্বর ফোয়ারা, ঢাকা শহররক্ষা বাঁধ, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য, পল্টন ময়দান, অস্ত্র তৈরির কারখানা, শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন, লোকশিল্প জাদুঘর, গুলশান লেক, ওসমানী উদ্যান, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম, হোটেল শেরাটন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, ধানমন্ডি ঈদগাহ, কমলাপুর বৌদ্ধবিহার- কমলাপুর, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকা তোরণ, বাংলা একাডেমী গ্রন্থাগার, ছোট কাটারা-চকবাজারের দক্ষিণে, কদম ফোয়ারা, বিমাবন্দর রক্ষাবাঁধ, জাগ্রত মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য, স্বাধীনতা জাতীয় স্কোয়ার, মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর, রমনা লেক-রমনা পার্ক, যমুনা ভবন, তিন নেতার স্মৃতিসৌধ, মিরপুর স্টেডিয়াম, হোটেল পূর্বাণী-মতিঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলিস্তান পার্ক, বিনত বিবির মসজিদ, শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার, খ্রিস্টান কবরস্থান, বিমানবাহিনীর সদর দফতর গেট, আওরঙ্গবাদ দুর্গ-লালবাগ, সার্ক ফোয়ারা, দুরন্ত ভাস্কর্য-শিশু একাডেমী, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান-টঙ্গী, ধানমন্ডি লেক-ধানমন্ডি, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, চক মসজিদ, গুরুদুয়ারা নানক শাহী, হোসনি দালান, বলাকা ভাস্কর্য, মহানগর নাট্যমঞ্চ, সামরিক জাদুঘর, রাজারবাগ শহীদ স্মৃতিসৌধ, শিখা অনির্বাণ, সাত গম্বুজ মসজিদ, কাকরাইল চার্চ, দোয়েলচত্বর ভাস্কর্য, মহিলা সমিতি মঞ্চ, হাইকোর্ট ভবন, মহাকাশবিজ্ঞান ভবন, নভোথিয়েটার, তারা মসজিদ, লালবাগ দুর্গ, বাহাদুর শাহ পার্ক, পুলিশ মিউজিয়াম, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাতীয় আর্কাইভস, রাজউক, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড, শিশুপার্ক, শ্যামলী শিশুমেলা।

০৯.মুন্সিগঞ্জ 

বল্লাল সেনের দীঘি, হরিশ্চন্দ্র রাজার দীঘি, রাজা শ্রীনাথের বাড়ি, রামপাল দীঘি, কোদাল ধোয়া দীঘি, শ্রীনগরের শ্যামসিদ্ধির মঠ, সোনারংয়ের জোড়া মঠ, হাসারার দরগাহ, ভাগ্যকূল রাজবাড়ি, রাঢ়ীখালে জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি, কুসুমপুরে তালুকদার বাড়ি মসজিদ, তাজপুর মসজিদ, পাথরঘাটা মসজিদ, কাজীশাহ মসজিদ, পোলঘাটার ব্রিজ, পাঁচ পীরের দরগাহ, সুখবাসপুর দীঘি, শিকদার সাহেবের মাজার, বার আউলিয়ার মাজার, শহীদ বাবা আদমের মসজিদ, ইদ্রাকপুর কেল্লা, অতীশ দীপঙ্করের পন্ডিতভিটা, হরগঙ্গা কলেজ গ্রন্থাগারে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর আবক্ষ মার্বেল মূর্তি।

১০.রাজবাড়ী 

চাঁদ সওদাগরের ঢিবি (মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগরের স্মৃতিচিহ্ন), মথুরাপুর প্রাচীন দেউল, শাহ পাহলোয়ানের মাজার, দাদ্শী মাজার, জামাই পাগলের মাজার, নলিয়া জোডা বাংলা মন্দির, সমাধিনগর মঠ (অনাদি আশ্রম), রথখোলা সানমঞ্চ, নীলকুঠি, মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র, দৌলতদিয়া ঘাট।

১১.মাদারীপুর 

হজরত শাহ মাদারের দরগাহ, আলগী কাজিবাড়ি মসজিদ, রাজা রামমন্দির ঝাউদিগিরি, আউলিয়াপুর নীলকুঠি, মিঠাপুর জমিদারবাড়ি, প্রণব মঠ, বাজিতপুর, মঠের বাজার মঠ, খোয়াজপুর, খালিয়া শান্তি কেন্দ্র, পর্বতের বাগান, শকুনী লেক, সেনাপতির দীঘি।

১২.গােপালগঞ্জ 

বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ, চন্দ্রভর্ম ফোর্ট ( কোটাল দুর্গ), মুকসুদপুরের ঐতিহাসিক নিদর্শন, বহলতলী মসজিদ, ধর্মরায়ের বাড়ি, থানাপাড়া জামে মসজিদ, খাগাইল গায়েবি মসজিদ, কোর্ট মসজিদ, সেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ, সর্বজনীন কালীমন্দির, বিলরুট ক্যানেল, আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি, শুকদেবের আশ্রম, খানার পাড় দীঘি, উলপুর জমিদারবাড়ি, ’৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ)।

১৩.ফরিদপুর

গেরদা মসজিদ, পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি, বাসদেব মন্দির, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, সাতৈর মসজিদ , ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল, বাইশ রশি জমিদার বাড়ি, জেলা জজ কোর্ট ভবন , ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

*০৭.রংপুর 

০১.পঞ্চগড় 

ভিতরগড়, মহারাজার দীঘি, বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, সমতলভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা-বাগান, মির্জাপুর শাহী মসজিদ, বার আউলিয়ার মাজার, গোলকধাম মন্দির, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, রকস্ মিউজিয়াম।

০২.দিনাজপুর 

দিনাজপুর রাজবাড়ি, চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার, কান্তজিউর মন্দির, ঘোডাঘাট দুর্গ, সীতাকোট বিহার, সুরা মসজিদ, নয়াবাদ মসজিদ, রামসাগর, স্বপ্নপুরী, স্টেশন ক্লাব, কালেক্টরেট ভবন, সার্কিট হাউস ও জুলুমসাগর, দিনাজপুর ভবন, সিংড়া ফরেস্ট, হিলি স্থলবন্দর, বিরল স্থলবন্দর।

0৩.লালমনিরহাট 

তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল, তিস্তা ব্যারাজ ও অবসর রেস্ট হাউস, বুড়িমারী স্থলবন্দর, শেখ ফজলল করিমের বাড়ি ও কবর, তুষভান্ডার জমিদারবাড়ি, কাকিনা জমিদারবাড়ি, নিদাড়িয়া মসজিদ, হারানো মসজিদ, সিন্দুরমতি দীঘি, কালীবাড়ি মন্দির ও মসজিদ, বিমানঘাঁটি, তিস্তা রেলসেতু, হালা বটের তল, লালমনিরহাট জেলা জাদুঘর, দালাইলামা ছড়া সমন্বিত খামার প্রকল্প।

০৪.নীলফামারী 

ধর্মপালের রাজবাড়ি, ময়নামতি দুর্গ, ভীমের মায়ের চুলা, হরিশচন্দ্রের পাঠ, সৈয়দপুরের চিনি মসজিদ, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প, নীলফামারী জাদুঘর, কুন্দুপুকুর মাজার, দুন্দিবাড়ী স্লুইসগেট, বাসার গেট, স্মৃতি অম্লান।

০৫.গাইবান্ধা 

বর্ধনকুঠি, নলডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, বামনডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, ভতরখালীর কাষ্ঠ কালী, রাজা বিরাট, ভবানীগঞ্জ পোস্ট অফিস ও বাগুড়িয়া তহশিল অফিস।

০৬.ঠাকুরগাঁও 

জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গী সূর্যপুরী আমগাছ, ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড ট্যুরিজম লি., রাজভিটা, রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, হরিপুর রাজবাড়ি, জগদল রাজবাড়ি, প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন নেকমরদ, পীর শাহ নেকমরদের মাজার, মহালবাড়ি মসজিদ, শালবাড়ি মসজিদ ও ইমামবাড়া, সনগাঁ শাহী মসজিদ, ফতেহপুর মসজিদ, মেদিনীসাগর জামে মসজিদ, গেদুড়া মসজিদ, গোরক্ষনাথ মন্দির, কূপ ও শিলালিপি, হরিণমারী শিবমন্দির, হরিপুর রাজবাড়ি শিবমন্দির, গোবিন্দনগর মন্দির, ঢোলরহাট মন্দির, ভেমটিয়া শিবমন্দির, মালদুয়ার দুর্গ, গড়গ্রাম দুর্গ, বাংলা গড়, গড় ভবানীপুর, গড়খাঁড়ি, কোরমখান গড়, সাপটি বুরুজ, দীঘি।

০৭.রংপুর 

পায়রাবন্দ, তাজহাট জমিদারবাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার, ভিন্ন জগৎ, ঝাড়বিশলা।

০৮.কুড়িগ্রাম 

চান্দামারী মসজিদ, শাহী মসজিদ, চন্ডীমন্দির, দোলমঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি, পাঙ্গা জমিদারবাড়ি ধ্বংসাবশেষ, সিন্দুরমতি দীঘি, চিলমারী বন্দর, শহীদ মিনার, স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক, পাঙ্গা জমিদারবাড়ির কামান, বঙ্গ সোনাহাট ব্রিজ, মুন্সিবাড়ি।

*০৮.ময়মনসিংহ 

০১.শেরপুর 

গড় জরিপার দুর্গ , দরবেশ জরিপ শাহের মাজার, বারদুয়ারী মসজিদ, হযরত শাহ কামালের মাজার, শের আলী গাজীর মাজার, কসবার মুগল মসজিদ, ঘাঘরা লস্কর বাড়ী মসজিদ, মাইসাহেবা মসজিদ, নয়আনী জমিদারের নাট মন্দির, আড়াই আনী জমিদার বাড়ি, পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি, গজনী অবকাশ কেন্দ্র।

০২.ময়মনসিংহ 

শশী লজ, গৌরীপুর লজ, আলেকজান্ডার ক্যাসেল, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা, স্বাধীনতাস্তম্ভ, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী পার্ক, ময়মনসিংহ জাদুঘর, বোটানিক্যাল গার্ডেন, নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র, মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি, মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়ি, গৌরীপুর রাজবাড়ি, বীরাঙ্গনা সখিনার মাজার, রামগোপাল জমিদারবাড়ি, ফুলবাড়িয়া অর্কিড বাগান, চীনা মাটির টিলা, আবদুল জববার স্মৃতি জাদুঘর, কুমিরের খামার, তেপান্তর ফিল্ম সিটি।

০৩.জামালপুর 

হজরত শাহ জামালের (রহ.) মাজার, হজরত শাহ কামালের (রহ.) মাজার, পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট রসপাল জামে মসজিদ (উনবিংশ শতাব্দী), নরপাড়া দুর্গ (ষোড়শ শতাব্দী), গান্ধী আশ্রম, দয়াময়ী মন্দির, দেওয়ানগঞ্জের সুগার মিলস, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট।

০৪.নেত্রকোণা

উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী, বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, রানীখং মিশন, টংক শহীদ স্মৃতিসৌধ, রানীমাতা রাশমণি স্মৃতিসৌধ, কমলা রানী দীঘির ইতিহাস, নইদ্যা ঠাকুরের (নদের চাঁদ) লোক-কাহিনী, সাত শহীদের মাজার, হজরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (রহ.) মাজার, রোয়াইলবাড়ি কেন্দুয়া।



কিছু নতুন জায়গার নাম হয়তো নাই
ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন
সূত্র.গুগল

রকেট স্টিমার

এই যান্ত্রিকতার মধ্যেও যারা একটু আয়েশি ভ্রমণ ভালবাসেন, সীসা-মুক্ত নির্মল বাতাসে নিজের প্রিয়জনের সাথে কিছুটা সময় কাটাতে চান, আর সবচেয়ে বড় কথা যারা নদী ভালোবাসেন আজকের লেখাটা শুধুমাত্র তাদের জন্যই। আজকে আমরা কথা বলব, প্রায় ১০০ বছরের পুরানো প্যাডেল স্টিমার সার্ভিস ‘রকেট’ নিয়ে। 

“কিসে যাবা?”, ‘রকেটে!’

নাম শুনে অবাক হচ্ছেন তো? খুবই স্বাভাবিক। রকেট সার্ভিস আবার কি? অবাক হবার কিছু নাই। এই রকেট মহাকাশে চলে না, চলে নদীতে। একবারে বাংলাদেশের প্রায় ১৭ থেকে ২০ টি নদীতে ভেসে বেড়ানোর সুযোগ লুফে নিতেই এই রকেটে চড়া। ‘রকেট’ স্টিমারের রয়েছে শত বছরের পুরনো ইতিহাস। একসময় এদেশের লোকেরা এই স্টিমারে করে কলকাতা যেত। এখন তো কলকাতা যাবার সুযোগ নেই তবে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা যাতায়াত করছে নিয়মিত। যদিও নাব্যতা সংকটের কারণে মাঝে মাঝে খুলনা পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয় না। তখন সেই রুট থেমে যায় বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জে।

‘রকেট’ স্টিমারের রয়েছে শত বছরের পুরনো ইতিহাস। একসময় এদেশের লোকেরা এই স্টিমারে করে কলকাতা যেত। এখন তো কলকাতা যাবার সুযোগ নেই তবে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে খুলনা যাতায়াত করছে নিয়মিত। যদিও নাব্যতা সংকটের কারণে মাঝে মাঝে খুলনা পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয় না। তখন সেই রুট থেমে যায় বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জে।

নদীতে ভেসে চলেছে ১০০ বছরের পুরানো রকেট স্টিমার

ইতিহাস

সারা বিশ্বে হাতে গোনা যে কটি “রকেট” স্টিমার আছে তার মধ্যে ৫ টি আছে বাংলাদেশে। এগুলোর নামগুলোও বেশ বাহারি : মাসহুদ, অস্ট্রিচ, লেপচা, ও টার্ন। এর মধ্যে বড় হল ‘মাসহুদ’ ও ‘অস্ট্রিচ’৷ প্রায় শতবর্ষী পুরনো এ স্টিমার দুটি তৈরি হয়েছিল যথাক্রমে ১৯২৮ ও ১৯৩৮ সালে কলকাতার গার্ডেন রিচ ওয়ার্কশপে। শুরুর দিকে এসব স্টিমারে জ্বালানী হিসেবে কয়লা ব্যবহার করা হতো। আশির দশকের শুরুতে এগুলো ডিজেল ইঞ্জিনে রূপান্তরিত করা হয়। বড় বড় দুটি প্যাডেল দিয়ে সামনের দিকে এগোয় আর তাই এর অন্য নাম প্যাডেল স্টিমার। তবে রকেট স্টিমার কেন বলা হয় তার কোন নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সম্ভবত ওই সময়ে এটাই সবচেয়ে দ্রুতগতির নৌযান ছিল তাই হয়ত এমন নাম।

একটা মজার ঘটনা বলি, একটা সময় ইংল্যান্ডের “রিভার আর স্টিম ন্যাভিগেশন” (আর এস এন) কোম্পানির বিশাল বিশাল সব স্টিমার চলাচল করত এদেশে। বাহারি সব নাম ছিল এদের- ফ্লেমিংগো, ফ্লোরিকান, বেলুচি ইত্যাদি। তো ব্রিটিশ সরকার যখন বরিশালে রেলপথ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল তখন নাকি এই আর এস এন কোম্পানির লোকেরা ইংল্যান্ড থেকে কলকাঠি নেড়েছিল যাতে বরিশালে রেলপথ না আসতে পারে। ভাবুন তো কি একটা অবস্থা!

পি এস মাসহুদ এর পরিচিতি বোর্ড

স্টিমার ছাড়ল!

শুরুটা হবে সদরঘাটে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে স্টিমারের ভোঁ ভোঁ শব্দ দিয়ে। ঢাকা আর নারায়ণগঞ্জ কে পাশ কাটিয়ে বুড়িগঙ্গা উপর দিয়ে রকেট যখন মেঘনায় পড়বে রাত তখন ৮ টা কি ৯ টা। আর সেদিন যদি পূর্ণিমা হয় তবে মনে রাখবেন বাকিটা ইতিহাস………

রাত সাড়ে এগারোটার দিকে রকেট পৌঁছবে চাঁদপুর ঘাটে। এসময় দোতলার দিকে সরে যাওয়াই ভাল কারণ চাঁদপুর থামলেই হুড়মুড় করে অনেক মানুষ উঠবে।চাঁদপুর থেকে ছেড়ে রকেট পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়ার মিলনস্থল অতিক্রম করবে। একটা সময় চারদিকে অথৈ জলরাশি ছাড়া কিছুই দেখবেন না।

রাতের খাবার

রাতের সৌন্দর্য উপভোগের এক ফাঁকে বাটলার কে ডেকে রাতের খাবার অর্ডার করুন। সাধারণত দু ধরণের সেট মেন্যু পাওয়া যায়। একটিতে ভুনা খিচুড়ি, ডিম আর চিকেন। আরেকটিতে সাদা ভাত, চিকেন আর দু পদের ভর্তা। খরচ পড়বে ২০০ টাকা। একসময় স্টিমারের বাটলারের রান্নার অনেক কদর ছিল, এখনো তার একটু অবশিষ্ট আছে। আশা করি তৃপ্তির ঢেঁকুর আস্তে হলেও তুলতে পারবেন। খাওয়া শেষে একটা ঘুম দেন। এরকম ফ্রেশ ঘুমের সুযোগ জীবনে আর নাও পেতে পারেন।

ঘুমাইয়া মুই বরিশালে

ঘুম থেকে উঠে দেখবেন বরিশাল চলে এসেছেন। এখানে আধাঘণ্টার বিরতি দিয়ে রকেট আবার ছুটে চলবে গন্তব্যের দিকে। আগের দিনের ছিমছাম রকেটকে কিন্তু আজকে আপনি অন্যরূপে দেখবেন। প্রতি ঘণ্টায় স্টপেজ আসবে, খালাসীদের ব্যস্ততা বাড়বে, কুলিদের হুড়োহুড়িতে রকেট হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। কিছুক্ষণ পরেই রকেট ঢুকবে গাবখান ক্যানেলে। সরু একটি ক্যানেল, দুপাশে সারি সারি গাছ পালা, সে এক অন্য রকম সৌন্দর্য। 

রকেট স্টিমারের ফার্স্ট ক্লাস কেবিন

সকাল সাড়ে ১০ টায় পৌঁছে যাবেন পিরোজপুরের হহুলারহাট। এখানে বেশ কিছুটা সময় থাকার পর আবার রওনা দেবে দক্ষিণের পথে। এভাবে দুপুর দেড়টার দিকে পৌঁছাবে বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ এ। এবার আপনার নামার পালা। মোড়লগঞ্জ এ নেমে বাসে করে চলে যান বাগেরহাট। ১ ঘণ্টার মত লাগবে। বাগেরহাট সহ দক্ষিণবঙ্গে এক্সপেরিয়েন্স করার জিনিসের তো অভাব নাই। সে আলাপ আরেকদিন হবে। 

প্রয়োজনীয় তথ্যাদি

এবার আসুন জেনে নেই রকেট স্টিমারে ভ্রমণের প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো।প্রথমেই আপনাদের কে জানাব কোন কোন রুটে চলাচল করছে রকেট স্টিমার।

ভ্রমণ রুট: ঢাকা – চাঁদপুর – বরিশাল – ঝালকাঠি – কাউখালী – হুলারহাট – চরখালী – বড় মাছুয়া (মঠবাড়িয়া) – সন্ন্যাসী – মোড়লগঞ্জ । শুধু প্রতি বুধবার রকেট মংলা হয়ে খুলনা পর্যন্ত যায় ।  

তবে দয়া জেনে নিবেন দয়া করে উপরোক্ত জায়গায় এবং আপনার গন্তব্যে যাবে কিনা।

রকেট স্টিমারের যাত্রাপথ ও খরচসহ যাবতীয় তথ্যাদি

মনে রাখতে হবে

বিদেশি টুরিস্টদের কাছে এই সার্ভিস টি বেশ জনপ্রিয়,অনেক টুরিস্ট আছেন যারা শুধু এই রকেট স্টিমারে ভ্রমণ করতেই বাংলাদেশে আসেন। তাই তাদের আনকমফোর্টেবল লাগে, এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেহেতু ভ্রমণটি প্রায় ২০ ঘণ্টার, তাই যাদের মোশন সিকনেস আছে, তারা অবশ্যই বমির ঔষধ সাথে রাখবেন।অপ্রয়োজনীয় জিনিস নদীতে না ফেলে দয়া করে নির্ধারিত স্থানে ফেলবেন। প্লাস্টিক তো ভুলেও নদীতে ফেলা যাবে না। 

তাহলে নদীমাতৃক বাংলাদেশকে কলোনিয়াল পর্দায় আরেকবার দেখতে আর পানিতে ভেজা অন্যরকম একটা ট্রিপ দিতে রকেটে ঘুরে আসেন। আপনার ভ্রমণ শুভ হোক। 

সূত্র.গুগল + নিজের অভিজ্ঞতা

ট্যুর ইনভাইটেশন প্রসেসিং পাকিস্তান

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত পাকিস্তান ট্যুরের জন্যও ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন লেটার প্রয়োজন হয়। এই লেটারকে “লেটার অফ ইনভাইটেশন ( LOI)” বলা হয়ে থাকে।এটা কোনো জটিল বিষয় নয়। একজন পাকিস্তানি নাগরিক অনলাইনে ইনভাইটেশন ফ্রম পুরন করে আপনার জন্য ইনভাইটেশন লেটার তৈরি করবে। তারপর সেটা ই-মেইলে পাঠিয়ে দেবে আপনার কাছে। অনলাইনে ভিসা আবেদনের সময় সেই লেটারটা সাবমিট করে দেবেন। ব্যাস এতটুকুই।⏩ কিভাবে ইনভাইটেশন জোগাড় করবেন?অনেকেই প্রশ্ন করেন, “আমাদের তো পাকিস্তানি বন্ধু নেই, তাহলে ইনভাইটেশন জোগাড় করবো কিভাবে” ? এটা নিয়ে এত টেনশনের কিছু নেই। বেশ কয়েকটা পদ্ধতিতে সহজেই ইনভাইটেশন জোগাড় করা যায়।১. আপনি পাকিস্তান ট্যুরের জন্য যদি কোনো ট্রাভল এজেন্সির সাথে কন্টাক করেন, তাহলে তারাই আপনাকে ইনভাইটেশন, বিমানের টিকেট সহ সব ধরনের ফ্যাসেলিটি প্রদান করবে।২. পাকিস্তানে কয়েকটি এজেন্সি আছে যাদের কাজ কেবল ইনভাইটেশন প্রদান করা। এমনই একটি এজেন্সির নাম হচ্ছে Coyote Trail. এরা ৮০ ডলারের বিনিময়ে যেকোনো দেশের নাগরিককে ইনভাইটেশন প্রদান করে থাকে। তবে মজার ব্যাপার হলো এজেন্সির মালিক সানাউল্লাহ মারওয়াত বাংলাদেশী ট্যুরিস্টদের ক্ষেত্রে কেবল ৫০ ডলার ফি গ্রহন করে। আপনি এই এজেন্সির ফেসবুক পেইজ বা সানাউল্লাহ মারওয়াত এর আইডিতে সরাসরি মেসেজ করেই ইনভাইটেশন প্রদানের অনুরোধ করতে পারেন।পেইজ লিংক…..https://www.facebook.com/Coyotetrailpk/সানাউল্লাহ মারওয়াত এর আইডি লিংক….https://www.facebook.com/sanaullah.marwat৩. এছাড়া আমাদের গ্রুপে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি এডমিন-মর্ডারেটর আছে, যারা আপনাকে ইনভাইটেশন জোগাড় করে দিতে পারবে। ট্যুরের এরেজমেন্ট করে আমাদের সাথে কন্টাক করুন, আমরা ইনভাইটেশন জোগাড় করে দেবো।⏩ ইনভাইটেশন এর জন্য কি কি লাগে? তেমন কিছু লাগেনা। যাদের কাছে ইনভাইটেশন এর আবেদন করবেন তারা হয়তো আপনার সাথে টুকটাক কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিবে আপনি একজন ভালো মানুষ। কারন ওখানে গিয়ে আপনি কোনো অপরাধ করলে তার দ্বায়ভার বর্তাবে ইনভাইটেশন প্রদানকারীদের উপর।যেসব প্রয়োজনীয় তথ্য ইনভাইটেশন প্রদানকারীকে দিতে হবে…..১. আপনার পুরো নাম।২. আপনার পাসপোর্ট ভ্যালিডেশন, এক্সপায়ার ডেট।৩. যেই যেই জায়গার আপনি ঘুরতে চান তার নাম।এই তিনটি তথ্য প্রদান করে সহজেই আপনি ইনভাইটেশন যোগাড় করতে পারেন।

copy of Adventure Pakistan

Travelnewsbd.org

Save Land, Stay Travelling

Discover WordPress

A daily selection of the best content published on WordPress, collected for you by humans who love to read.

The Atavist Magazine

Save Land, Stay Travelling

Longreads

Longreads : The best longform stories on the web

WordPress.com News

The latest news on WordPress.com and the WordPress community.

Design a site like this with WordPress.com
Get started