বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত পাকিস্তান ট্যুরের জন্যও ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন লেটার প্রয়োজন হয়। এই লেটারকে “লেটার অফ ইনভাইটেশন ( LOI)” বলা হয়ে থাকে।এটা কোনো জটিল বিষয় নয়। একজন পাকিস্তানি নাগরিক অনলাইনে ইনভাইটেশন ফ্রম পুরন করে আপনার জন্য ইনভাইটেশন লেটার তৈরি করবে। তারপর সেটা ই-মেইলে পাঠিয়ে দেবে আপনার কাছে। অনলাইনে ভিসা আবেদনের সময় সেই লেটারটা সাবমিট করে দেবেন। ব্যাস এতটুকুই।
কিভাবে ইনভাইটেশন জোগাড় করবেন?অনেকেই প্রশ্ন করেন, “আমাদের তো পাকিস্তানি বন্ধু নেই, তাহলে ইনভাইটেশন জোগাড় করবো কিভাবে” ? এটা নিয়ে এত টেনশনের কিছু নেই। বেশ কয়েকটা পদ্ধতিতে সহজেই ইনভাইটেশন জোগাড় করা যায়।১. আপনি পাকিস্তান ট্যুরের জন্য যদি কোনো ট্রাভল এজেন্সির সাথে কন্টাক করেন, তাহলে তারাই আপনাকে ইনভাইটেশন, বিমানের টিকেট সহ সব ধরনের ফ্যাসেলিটি প্রদান করবে।২. পাকিস্তানে কয়েকটি এজেন্সি আছে যাদের কাজ কেবল ইনভাইটেশন প্রদান করা। এমনই একটি এজেন্সির নাম হচ্ছে Coyote Trail. এরা ৮০ ডলারের বিনিময়ে যেকোনো দেশের নাগরিককে ইনভাইটেশন প্রদান করে থাকে। তবে মজার ব্যাপার হলো এজেন্সির মালিক সানাউল্লাহ মারওয়াত বাংলাদেশী ট্যুরিস্টদের ক্ষেত্রে কেবল ৫০ ডলার ফি গ্রহন করে। আপনি এই এজেন্সির ফেসবুক পেইজ বা সানাউল্লাহ মারওয়াত এর আইডিতে সরাসরি মেসেজ করেই ইনভাইটেশন প্রদানের অনুরোধ করতে পারেন।পেইজ লিংক…..https://www.facebook.com/Coyotetrailpk/সানাউল্লাহ মারওয়াত এর আইডি লিংক….https://www.facebook.com/sanaullah.marwat৩. এছাড়া আমাদের গ্রুপে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি এডমিন-মর্ডারেটর আছে, যারা আপনাকে ইনভাইটেশন জোগাড় করে দিতে পারবে। ট্যুরের এরেজমেন্ট করে আমাদের সাথে কন্টাক করুন, আমরা ইনভাইটেশন জোগাড় করে দেবো।
ইনভাইটেশন এর জন্য কি কি লাগে? তেমন কিছু লাগেনা। যাদের কাছে ইনভাইটেশন এর আবেদন করবেন তারা হয়তো আপনার সাথে টুকটাক কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিবে আপনি একজন ভালো মানুষ। কারন ওখানে গিয়ে আপনি কোনো অপরাধ করলে তার দ্বায়ভার বর্তাবে ইনভাইটেশন প্রদানকারীদের উপর।যেসব প্রয়োজনীয় তথ্য ইনভাইটেশন প্রদানকারীকে দিতে হবে…..১. আপনার পুরো নাম।২. আপনার পাসপোর্ট ভ্যালিডেশন, এক্সপায়ার ডেট।৩. যেই যেই জায়গার আপনি ঘুরতে চান তার নাম।এই তিনটি তথ্য প্রদান করে সহজেই আপনি ইনভাইটেশন যোগাড় করতে পারেন।
copy of Adventure Pakistan